Sunday, 9 August 2015

সালাতে_উচ্চস্বরে_আমিন‬ বললে ‪#‎ইহুদীরা‬ রাগান্নিত হয়


আসসালামু য়ালাইকুম
★★★...★★★...★★★
>>‪#‎সালাতে_উচ্চস্বরে_আমিন‬ বললে ‪#‎ইহুদীরা‬ রাগান্নিত হয়।
এখন তো দেখছি ‪#‎সস্তা_হুজুররাও_রাগান্নিত_হচ্ছে‬...
=>তাহলে আলেমের বেশে এরা কারা???
...
=>শুনুন, চোখ থাকতে ও অন্ধ হইয়ে চলা থেকে বিরত থাকুন।
=>ধর্ম কারো বাপ দাদার দোহায় দিয়ে চলে না। ধর্ম চলে তার আপন গতিতে।
♦দেখুন ইসলাম কি বলে...
সালাতে (নামাযে) স্ব'শব্দে আমীন (উচ্চস্বরে) বলার হাদীসসমূহ:
০১) বুখারি ১ম খন্ড ১০৮ পৃষ্ঠা
০২) মুসলিম শরীফ ১৭৬ পৃষ্ঠা
০৩) আবু দাউদ ১৩৪ পৃষ্ঠা
০৪) তিরমিজি ৫৭,৫৮ পৃষ্ঠা।
০৫) নাসায়ী ১৪০ পৃষ্ঠা,
০৬) ইবনে মাজাহ ৬২ পৃষ্ঠা,
০৭) মুয়াত্তা মালেক ১০৮ পৃষ্ঠা,
০৮) বায়হাকী ২য় খন্ড ৫৯ পৃষ্ঠা,
০৯) দার কুৎনী ১২৭ পৃষ্ঠা,
১০) মেশকাত ১ম খন্ড ৭৯,৮০ পৃষ্ঠা,
১১) যাদুল মায়াদ ১ম খন্ড ১৩২ পৃষ্ঠা,
১২) মাসনাদে ইমাম শাফী ২৩ পৃষ্ঠা,
১৩) ইবনে আবি শায়বা ২৮ পৃষ্ঠা,
১৪) ফাতহুল বারী ২য় খন্ড ২৬৭ পৃষ্ঠা
১৫) হিদায়া দিরায়াহ ১০৮ পৃষ্ঠা,
১৬) আবকারুল মিনান ১৮৯ পৃষ্ঠা,
১৭) ফাতহুল বায়ান ৩৪ পৃষ্ঠা,
১৮) মুহাল্লা ২৬৩ পৃষ্ঠা১৯) রাফউল ওজাজাহ ৩০০ পৃষ্ঠা
২০) তোহফাতুল আহয়াজি ১ম খন্ড ২০৮ পৃষ্ঠা,
২১) তানভীরুল হায়ালেক ১০৮ পৃষ্ঠা
২২) মন্তাকা ৫৯ পৃষ্ঠা২৩) নায়লুল আওতার ২য় খন্ড ২৪৪ পৃষ্ঠা
২৪) আহকাম ২০৭ পৃষ্ঠা,
২৫) আততার গীব ২৩ পৃষ্ঠা,
২৬) সবুলুস সালাম ২৪৩ পৃষ্ঠা,
২৭) কানজুল ওম্মাল ৫৯ পৃষ্ঠা,
২৮) জামেউল ফায়ায়েদ ৭৬ পৃষ্ঠা,
২৯) তাল খিসুল হাবীর ৯০ পৃষ্ঠা
৩০) আউনুল মাবুদ ২৫২ পৃষ্ঠা,
৩১) তায়সীরুল ওসুল ২১৭ পৃষ্ঠা।
★★হানাফী মাযহাবের কেতাবগুলিতেও উচ্চস্বরে আমীন রয়েছে দেখুন :
১) আইনুল হেদায়া ১ম খন্ড ৩৬৫ পৃষ্ঠা,
২) নুরুল হেদায়া ৯৭ পৃষ্ঠা,
৩) ফতহুল কাদীর ৩৬৩ পৃষ্ঠা,
৪) মাদারেজুন্নবুয়াত ৪০১ পৃষ্ঠা,
৫) তানবীরুল আইনাইন ৪১ পৃষ্ঠা
৬) গুনিয়াতুত তালেবীন ১১ পৃষ্ঠা,
৭) তাহকীকুল কালাম ১০ পৃষ্ঠা,
৮) তালিকুল মুমাজ্জাদ ১০৫ পৃষ্ঠা (ভারতের প্রখ্যাতমুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল হাই লাক্ষ্ণৌভীহানাফী) ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর উস্তাদ আতা ইবনে আবি রাবাহ (রঃ) বলেন -
"আমি মসজিদুল হারাম কাবা শরীফে কমপক্ষে দুশ'জন সাহাবীকে আর বিভিন্ন দিনে হাজার হাজার সাহাবীকে এমন অবস্থায় পেয়েছি যে, যখন ইমাম "অলাদ্দৌলীন/অয়ালাজ্জ...ল্লিন" বলতেন তখন আমি তাদের আমীনের প্রতিধ্বনি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত শুনতাম" [বায়হাকী ২য়খন্ড ৫৯পৃষ্ঠা, আইনী ৬ষ্ঠখন্ড ৪৮ পৃষ্ঠা, ফাতহুলবারী।
COMMENTS-BF:-


★★★...★★★...★★★
>>‪#‎সালাতে_উচ্চস্বরে_আমিন‬ বললে ‪#‎ইহুদীরা‬ রাগান্নিত হয়।
এখন তো দেখছি ‪#‎সস্তা_হুজুররাও_রাগান্নিত_হচ্ছে‬...
=>তাহলে আলেমের বেশে এরা কারা???
... See More
 
 

  • Md Badruddin ৬ রাকাতে মুসলমান ১১ রাকাতে ইহুদীরা আবার কি কয়!
  • Mamun Mamun ঠিক আছে
  • ইউসুফ জামিল ইউসুফ Maksud ALOM ## আপনি মাদরাসারর হুজুদের থেকে কত বার করন খাইছেন। যে এমন একটি মন্তব্য ছাড়লেন?? প্রমান দিলে ভালো হতো।
  • Md Jakaria Ara abu jeheler bongso.
  • Fk Faruk Ahamed যাযাকাল্লাহ খায়রান
  • Md Jakaria Amin sonle jader ontore ga lagee tara.
  • Ashadullah Al Forhad Ami posts share korsi... amar kisu frnd ase... bapre oder chapar kase jaowa jai na
  • Ashadullah Al Forhad R @Maksud vaiya first j pic a huzur der kotha bolsa kotha ta kintu fele dear moto na #Usuf vai
  • Mannan Simana Fa-ta-kesto... Indian!
  • H M Arif Islam এই ভন্ডর বাচ্চা তওর মুখে দারি কইরে, এত দেখি চোরের মুখে বড় বড় কথা।
  • হক পথের সন্দ্যানে আমি জোরে আমিন বলা হাদিছে আছে আস্তে আমিন বলা হাদিছেআছে এটারনিয়ে বারাবাড়ির কিছুনেই।
  • Mokarram Hossain কারু কান পরায় মতামত লিখে অপমানিত হবার কি দরকার, যারা চুপে চুপে আমিন বলে,তারা কি হাদিস ছারা আমল করে?কুর আন হাদিস নিয়ে জেনে শুনে কথা বলা দরকার।
  • আসসালামু য়ালাইকুম . #H_M_Arif_Islam মুখে লাগাম দিয়ে ভদ্র ভাসায় কথা বলুন ভাই। #আপনি_চোখে_কম_দেখছেন সেটাই তো মনে হচ্ছে।
  • আসসালামু য়ালাইকুম . #H_M_Arif_Islam আপনি যদি ইমানদার হন তো দলিল নিয়ে আসুন।
  • আসসালামু য়ালাইকুম , #হক_পথের_সন্ধানে, and #Mokarram_Hossain ভাই, আমি যদি ভুল বলে থাকি তাহলে আপনারা #এর_বিপরীতে গ্রহনযোগ্য দলিল পেশ করুন ভাই।। কোনো ঝগড়া নই,,,,
  • Md Badruddin খামখা সাধারণ লোককে কেন ধাপ্পা দিচ্ছেন; বোখারী-মুসলিমে কোথায় উচ্চৈঃস্বরে আমীন বলার হাদীস? আরবী এবারত সহ হাদীসটি লিখে পাঠান তো!
  • Abdur Rahim Gazi তারা মুসলিমের বেশে আছে মাত্র
  • Mohammed Mohammed allah aponar hayat
    bariye din..
  • Mohammed Mohammed উচ্চ সুরে আমিন
    বলা সঠিক। তাতে
    ফেরেস্তারা সওয়াব
    ...See More
  • শান্ত সিকদার বাসির যারা আসতে আমিন বলে তারা কাফেরদের দালাল!!!!! কাফেরদের দালালদের এই দেশে থাতে দেওয়া যাবেনা
  • Sarowar Hossain জাহারা এ হাদীস কে বিশ্বাস করে না তারা মুসলমান কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ আছে।
  • Nezam Uddin Sohag বাপ দাদার14ঘুষte জোরে আমিন বলে নাই। এখন দেখতেছি আতিককা বেয়াদব কিছু নাম ধারী হুজুর আমিন জোরে বলা শুরু করে দিয়েছে। এখন দোহয় দিছছে জোরে বললে ফেরেশতারা শুনে তাহলে আহলে হাদীস নাম ধারী শয়তানরা বুজাইলো আসতে বললে শুনে না। কোতথেকে এরা মানুষ রুপি ঈমান চোর উদয় হলো আললাহ ও রাছুল(দ:) ভালো জানেন।
  • Azad Islam Mr Nezam Uddin Sohag , apnar 14Gustee ek kale churi korto , tai bole apni ki churi korben ? Tara ek kale onek kusongskar bissash korto tai bole ki apnio kirben ? Ajker ei modern juge jonglider moto kotha bolben na . Hadis kuraan janun tarpor bolun . Baap dadar dohai diye r koto kaal Islam ke kolusito korben .
  • Akm Masum যারা ইসলামের সামান্য জিনিস নিয়ে বাড়াবড়ি করে তারাই আসলে ইসলামের দুশমন এবং ইয়াহুদিদের দালাল
  • Shamim Shamy Mokarram Hossain vai u r right
  • Rasal Ahmed It is absoutely right.
  • Shoaibur Rahman jar cokh theke o nai se dari dekhbe kivabe... onar dari ace ai pic tate boja jay na.
  • Dewan MD Sazzadur Rahman Namaze Aste Amin bolay Nobir Hoboho Onosoron.Ferestara ki boyra?je jore amin bolte hobe.Dekhon Amader Dolil(Sohih ibne khozima 3/23.Mazmauz zawayed 3/433.Al Habi 3/544.Al molakkhas 4/675.Tahzibol kamal 9/334.Fathol bari 2/233.Fathol Molhim 2/344.Al iyana 2/446.Al Jame 4/223.Al Mostadrak 3/234.Fayzol kadir 3/544,Bazlol mazhod 5/223.Sorhon Nikayah 5/245.Razin 1/33.Ibne hibban 3/55.Al modaweanatol kora 6/345.Talkhisol Habir 3/227.Al montaka 4/444.)See Translation
  • Omar Faruk মাযহাবীদের মাঝে কেউ বলেননি যে জোরে অামিন বলার কথা হাদিস শরীফে নাই কিংবা এটাও বলেনি যে, জোরে অামীন বলাটা সুন্নাহ বর্হিভূত। যাদের কাছে জ্ঞান অাছে তারা সবাই এটা জানেন। কিন্তু অাহলে খবিষরা অাস্তে অামীন বলার হাদীস যে অাছে তা যেমন স্বীকার করেনা তেমনি ওসব হাদীসকে হাদীসকে হাদীসও মনে করেনা।
  • Thursday, 6 August 2015

    Prayer according to Sahih(Authentic) Hadiths

    Raising of Hands – Rafulyadain

    Sahih Bukhari

    Volume 1, Book 12, Number 704:
    Narrated Abu Qilaba:
    I saw Malik bin Huwairith saying Takbir and raising both his hands (on starting the prayers and raising his hands on bowing and also on raising his head after bowing. Malik bin Huwairith said, “Allah’s Apostle did the same.”
    Volume 1, Book 12, Number 705:
    Narrated ‘Abdullah bin ‘Umar:
    I saw Allah’s Apostle opening the prayer with the Takbir and raising his hands to the level of his shoulders at the time of saying the Takbir, and on saying the Takbir for bowing he did the same; and when he said, “Sami a-l-lahu Liman hamida “, he did the same and then said, “Rabbana wa laka-l-hamd.” But he did not do the same on prostrating and on lifting the head from it.”
    Volume 1, Book 12, Number 706:
    Narrated Nafi’:
    Whenever Ibn ‘Umar started the prayer with Takbir, he used to raise his hands: whenever he bowed, he used to raise his hands (before bowing) and also used to raise his hands on saying, “Sami a-l-lahu Liman hamida”, and he used to do the same on rising from the second Rak’a (for the 3rd Rak’a). Ibn ‘Umar said: “The Prophet used to do the same.”

    Sahih Muslim

    Book 004, Number 0759:
    Ibn Umar reported that the Messenger of Allah (may peace be upon him), when he stood up for prayer, used to raise his hands apposite the shoulders and then recited takbir (Allah-o-Akbar), and when he was about to bow he again did like it and when he raised himself from the ruku’ (bowing posture) he again did like it, but he did not do it at the time of raising his head from prostration.
    Book 004, Number 0762:
    Malik b. Huwairith reported: The Messenger of Allah (may peace be upon him) raised his hands apposite his ears at the time of reciting the takbir (i. e. at the time of beginning the prayer) and then again raised his hands apposite the ears at the time of bowing and when he lifted his head after bowing he said: Allah listened to him who praised Him, and did like it (raised his hands up to the ears).

    Muwatta Imam Malik

    Book 3, Number 3.5.21:
    Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Salim ibn Abdullah that Abdullah ibn Umar used to say “Allah is greater” in the prayer whenever he lowered himself and raised himself.
    Yahya related to me from Malik from Nafi that Abdullah ibn Umar used to raise his hands to the level of his shoulders when he began the prayer and when he raised his head from the ruku he would raise them less than that.
    Book 3, Number 3.5.17:
    Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Salim ibn Abdullah from Abdullah ibn Umar that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, used to raise his hands to the level of his shoulders when he began the prayer and when he raised his head from the ruku he raised them in the same way, saying, “Allah hears whoever praises him, our Lord and praise belongs to You.” He did not raise them in the sujud.
    Book 3, Number 3.5.18:
    Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab that AIi ibn Husayn ibn Ali ibn Abi Talib said, “The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, used to say, ‘Allah is greater’ whenever he lowered himself and raised himself, and he continued to pray like that until he met Allah.”

    Abu Dawood

    Narrated Wa’il ibn Hujr:
    I purposely looked at the prayer of the Apostle of Allah (peace_be_upon_him), how he offered it. The Apostle of Allah (peace_be_upon_him) stood up, faced the direction of the qiblah and uttered the takbir (Allah is most great) and then raised his hands in front of his ears, then placed his right hand on his left (catching each other).
    When he was about to bow, he raised them in the same manner. He then placed his hands on his knees. When he raised his head after bowing, he raised them in the like manner. When he prostrated himself he placed his forehead between his hands.
    He then sat down and spread his left foot and placed his left hand on his left thigh, and kept his right elbow aloof from his right thigh. He closed his two fingers and made a circle (with the fingers).
    I (Asim ibn Kulayb) saw him (Bishr ibn al-Mufaddal) say in this manner. Bishr made the circle with the thumb and the middle finger and pointed with the forefinger.
    Book 3, Number 0743:
    Narrated Ali ibn AbuTalib:
    When the Apostle of Allah (peace_be_upon_him) stood for offering the obligatory prayer, he uttered the takbir (Allah is most great) and raised his hands opposite to his shoulders; and he did like that when he finished recitation (of the Qur’an) and was about to bow; and he did like that when he rose after bowing; and he did not raise his hands in his prayer while he was in his sitting position.
    When he stood up from his prostrations (at the end of two rak’ahs), he raised his hands likewise and uttered the takbir (Allah is most great) and raised his hands so as to bring them up to his shoulders, as he uttered the takbir in the beginning of the prayer.

    Placing of Hands

    Sahih Bukhari

    Volume 1, Book 12, Number 771:
    Narrated ‘Abdullah bin Malik bin Buhaina:
    Whenever the Prophet used to offer prayer he used to keep arms away (from the body) so that the whiteness of his armpits was visible.

    Sahih Muslim

    Book 004, Number 0792:
    Wa’il b. Hujr reported: He saw the Apostle of Allah (may peace be upon him) raising his hands at the time of beginning the prayer and reciting takbir, and according to Hammam (the narrator), the hands were lifted opposite to ears. He (the Holy Prophet) then wrapped his hands in his cloth and placed his right hand over his left hand. And when he was about to bow down, he brought out his hands from the cloth, and then lifted them, and then recited takbir and bowed down and when (he came back to the erect position) he recited:” Allah listened to him who praised Him.” And when prostrates. He prostrated between the two palms.

    Abu Dawood

    Book 3, Number 0756:
    Narrated Ali ibn AbuTalib:
    Jarir ad-Dabbi reported: I saw Ali (Allah be pleased with him) catching hold of his left hand) by his right hand on the wrist above the navel.
    Book 3, Number 0758:
    Narrated Tawus:
    The Apostle of Allah (peace_be_upon_him) used to place his right hand on his left hand, then he folded them strictly on his chest in prayer.

    Saying Ameen Louder

    Sahih Bukhari

    Narrated Abu Huraira:
    Allah’s Apostle said, “When the Imam says: ‘Ghair-il-Maghdubi ‘Alaihim Walad-Dallin (i.e. not the path of those who earn Your Anger, nor the path of those who went astray (1.7)), then you must say, ‘Ameen’, for if one’s utterance of ‘Ameen’ coincides with that of the angels, then his past sins will be forgiven.”

    Sayings of Our Imams

    1. “When a hadeeth is found to be saheeh, then that is my madhhab.”
    2. “When I say something contradicting the Book of Allaah the Exalted or what is narrated from the Messenger (sallallaahu ‘alaihi wa sallam), then ignore my saying.”

    “Truly I am only a mortal: I make mistakes (sometimes) and I am correct (sometimes). Therefore, look into my opinions: all that agrees with the Book and the Sunnah accept it; and all that does not agree with the Book and the Sunnah, ignore it.”

    “If you find in my writings something different to the Sunnah of the Messenger of Allaah (sallallaahu ‘alaihi wa sallam), then speak on the basis of the Sunnah of the Messenger of Allaah (sallallaahu ‘alaihi wa sallam), and leave what I have said.”

    “The opinion of Awzaa’i, the opinion of Maalik, the opinion of Abu Haneefah: all of it is opinion, and it is all equal in my eyes. However, the proof is in the narrations (from the Prophet (sallallaahu ‘alaihi wa sallam) and his Companions).”

    OPINION

    A lot has been said on this topic. We have to look at the last action of our prophet (S.A.W) and the companions around him during the last period with him (S.A.W). Imam Malik, Imam Shafai, Imam Ahmed are in favour of raising of hands during takbeer of bowing and rising from bowing. That mean 3/4  of the imams are of the same opinion and Imam Bukahri, Imam Muslim, Imam Tirmdhi, Imam Abu Dawood follow the same opinion as well. Shah Waliullah has given a fatwa in favour of raising the hands.
    People, who says that, “it was allowed in the beginning but it was canceled because people use to bring idols in masjid and hide them under their armpits.” Their saying is totally baseless. It has no proof in Sahih Books. Idols were in Mecca not in Medina. In Medina, munafiqeen were creating problems not idols. And the Masjid was built in Medina. Also how is it possible to do other acts of the prayer while having an idol under the armpit? Doing sajdah and ruku would be impossible with an idol under the armpit. How can this not be  applied in the first Takbir of entering salah.
    If you listen to such a thing again, ask that person from where you are quoting? Can you tell me the source of your talk from Sahih Books? Ask him to quote even, any weak hadith which says that now it is munsukh?
    Secondly the hadiths which are found in both Bukhari and Muslim are called Mutafiq Alhe. This means, “It is the highest level authority in terms of sanad and text of hadith, which can not be rejected.”  Hadith of raising the hands are found both in Bukahri and Muslim, it means, it is Mutafiq Alhe. Bukhari, Muslim, Muwatta are considered first category of hadith books. Abu Dawood is considered among the second category in the book of hadith.
    For further reading please check the following
    1. http://www.islam-qa.com/index.php?ref=13340&ln=eng
    2. http://www.qss.org/articles/salah/toc.html [This book (Salat-un-Nabi) was also prescribed by Dr. Zakir Nayak in one of his lecture on PEACE TV]
    3. http://english.islamway.com/prayer/AdvSound.htm
    4. http://www.usc.edu/dept/MSA/law/fiqhussunnah/fus1_10.html

    Saturday, 18 July 2015

    সালামের পর বর্ণিত যিক্‌র-সালামের পর বর্ণিত যিক্‌রসমূহ

    নামাযের দো‘আ ও যিক্‌র / মুহাম্মাদ আব্দুর রব্ব আফফান / অষ্টমঃ সালামের পর বর্ণিত যিক্‌র-সালামের পর বর্ণিত যিক্‌রসমূহ কি কি?
    সালামের পর বর্ণিত যিক্‌র
    «استغفر الله استغفر الله استغفر الله»
    «اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت يا ذا الجلال والإكرام» (رواه مسلم)
    উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ (তিনবার)
    আল্লাহুম্মা আন্তাস সালামু ওয়া মিনকাস সালামু, তাবারাকতা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম। (মুসলিম)

    অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি। (তিনবার)
    হে আল্লাহ! তুমি শান্তিময়, আর তুমিই শান্তির উৎস। হে মহামহিম ও সম্মানের অধিকারী মহিমান্বিত তুমি।

    «لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيءٍ قدير»
    উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদীর। (তিনবার) (বুখারী - মুসলিম)
    অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্যিকার ইলাহ বা উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই, তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা ও রাজত্ব আর তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
    «لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيئ قدير، اللهم لا مانع لما أعطيت، ولا معطي لما منعت، ولا ينفع ذا الجد منك الجد» (رواه البخاري ومسلم)
    উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওলাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর। আল্লাহুম্মা লা মানি‘য়া লিমা আ‘ত্বইতা ওয়ালা মু‘ত্বিয়া লিমা মানা‘তা ওয়ালা ইয়ানফা‘উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু। (বুখারী - মুসলিম)
    অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্যিকার ইলাহ বা উপাস্য নেই। তিনি এক তাঁর কোনো অংশীদার নেই, তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা ও রাজত্ব আর তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
    হে আল্লাহ্! তুমি যে দান কর তা বন্ধ করার কেউ নেই আর তুমি যা বন্ধ রাখ তা দানকারী কেউ নেই। কোনো সম্মানিত ব্যক্তির সম্মান কাজে আসবে না, তোমার নিকটেই প্রকৃত সম্মান।
    «لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك، وله الحمد وهو على كل شيء قدير، لا حول ولا قوّة إلا بالله، لا إله إلا الله، ولا نعبد إلا إيّاه، له النعمة وله الفضل وله الثناء الحسن، لا إله إلا الله مخلصين له الدين ولو كره الكافرون» (رواه مسلم)
    উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদীর। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়ালা না‘বুদু ইল্লা ইয়্যাহু, লাহুন নি‘মাতু ওয়ালাহুল ফাদলু ওয়ালাহুস সানাউল হাসানু, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুদদ্বীনা ওয়ালাউ কারিহাল কাফিরূন। (মুসলিম)
    অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্যিকার ইলাহ বা উপাস্য নেই। তিনি এক তাঁর কোনো অংশীদার নেই, তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা ও রাজত্ব আর তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
    আল্লাহ তা‘আলার সাহায্য ব্যতীত স্বীয় অবস্থা থেকে পরিবর্তনের ক্ষমতা কারো নেই। আল্লাহ্ ব্যতীত সত্যিকার মা‘বূদ নেই, আমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত করি, তাঁর পক্ষ থেকে যাবতীয় নেয়ামত ও অনুগ্রহ তাই তাঁর জন্যই সকল উত্তম প্রশংসা। আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্রিকার মা‘বূদ নেই, তাঁর দ্বীন আমরা একনিষ্ঠভাবে মান্য করি যদিও কাফেরগণ তা অপছন্দ করে।
    «سبحان الله»
    ‘‘সুবহানাল্লাহ’’ ৩৩ বার
    অর্থ: আমি আল্লাহর জন্য যাবতীয় দোষ হতে পবিত্রতা ঘোষণা করছি।
    الحمد لله
    ‘‘আহামদু লিল্লাহ’’ ৩৩ বার
    অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
    الله أكبر
    ‘‘আল্লাহু আকবার’’ ৩৩ বার
    অর্থ: আল্লাহ্ সবার বড়। অতঃপর বলবেঃ
    "لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير" (رواه البخاري و مسلم)
    উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলক ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদীর। (তিনবার) (বুখারী - মুসলিম)
    অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্যিকার ইলাহ বা উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই, তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা ও রাজত্ব আর তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
    অথবাঃ সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার ও আল্লাহু আকবার ৩৪ বার। (তিরমিযী, নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ)
    আয়াতুল কুরসী
    ﴿ ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡحَيُّ ٱلۡقَيُّومُۚ لَا تَأۡخُذُهُۥ سِنَةٞ وَلَا نَوۡمٞۚ لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ مَن ذَا ٱلَّذِي يَشۡفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذۡنِهِۦۚ يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ أَيۡدِيهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيۡءٖ مِّنۡ عِلۡمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَۚ وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَۖ وَلَا يَ‍ُٔودُهُۥ حِفۡظُهُمَاۚ وَهُوَ ٱلۡعَلِيُّ ٱلۡعَظِيمُ ٢٥٥ ﴾ [البقرة: ٢٥٥]
    উচ্চারণ: (আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যূল কাইয়্যূমু লা তা’খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম। লাহূ মা-ফিসসামা-ওয়া-তি ওয়ামা ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা বিইযনিহী। ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম। ওয়ালা ইয়ুহীতূনা বিশাইইম মিন্ ইলমিহী ইল্লা বিমা শাআ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব। ওয়ালা ইয়াউদুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুয়াল ‘আলিয়্যূল ‘আযীম)।
    অর্থ: “আল্লাহ্, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না, নিদ্রাও নয়। আসমানসমূহে যা রয়েছে ও যমীনে যা রয়েছে সবই তাঁর। কে সে, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পিছনে যা কিছু আছে তা তিনি জানেন। আর যা তিনি ইচ্ছে করেন তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কোনো কিছুকেই তারা পরিবেষ্টন করতে পারে না। তাঁর ‘কুরসী’ আসমানসমূহ ও যমীনকে পরিব্যাপ্ত করে আছে; আর এ দুটোর রক্ষণাবেক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর তিনি সুউচ্চ সুমহান।”
    ফরয নামাযের পর উক্ত আয়াতুর কুরসী পড়বে কেননা হাদীসে বর্ণিত হয়েছেঃ ‘‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয নামাযের শেষে আয়াতুল কুরসী পড়বে তার জন্য মৃত্যু ব্যতীত জান্নাতে যাওয়ার আর কোনো বাধা নেই। (নাসায়ী)
    ‘‘কুল হুয়াল্লাহু আহাদ’’, ‘‘কুল আঊযু বিরাবিবল ফালাক’’ ও ‘‘কুল আঊযু বিরাবিবন্ নাস’’ প্রত্যেক নামাযের শেষে পড়বে।
    (আবু দাঊদ, নাসায়ী ও তিরমিযী)
    সূরা ইখলাস:
    70-(5) بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ۝ ﴿قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ Ǻ۝ۚ اَللّٰهُ الصَّمَدُ Ą۝ۚ لَمْ يَلِدْ ڏ وَلَمْ يُوْلَدْ Ǽ۝ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ Ć۝ۧ﴾،
    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ)।
    রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।”
    সূরা ফালাক:
    بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ۝ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ Ǻ۝ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ Ą۝ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ Ǽ۝ وَمِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِي الْعُقَدِ Ć۝ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ Ĉ۝﴾،
    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ)।
    রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।”
    সূরা নাস:
    بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ۝ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ Ǻ۝ مَلِكِ النَّاسِ Ą۝ اِلٰهِ النَّاسِ Ǽ۝ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ڏ الْخَنَّاسِ Ć۝ الَّذِيْ يُوَسْوِسُ فِيْ صُدُوْرِ النَّاسِ Ĉ۝ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ Č۝ۧ﴾
    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সি, ইলা-হিন্নাসি, মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সি, মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।)।
    রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।”
    «اللهم إنّي أسألك علما نافعا، ورزقا طيبا، وعملا متقبلا» (رواه إبن ماجه)
    উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসয়ালুকা ইলমান নাফিয়ান ওয়া রিযকান ত্বইয়্যিবান ওয়া আমালান মুতাকাব্বালান। (ইবনে মাজাহ)
    অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকটে উপকারী বিদ্যা, পবিত্র রিযিক এবং গ্রহণযোগ্য আমল কামনা করি।
    «رب قني عذابك يوم تبعث عبادك» (رواه مسلم)
    উচ্চারণ: রব্বি ক্বিনী আযাবাকা ইয়াওমা তুব‘য়াসু ইবাদুকা। (মুসলিম)
    অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে তুমি তোমার আযাব হতে বাঁচাও যেদিন তোমার বান্দারা উত্থিত হবে।
    ফজর ও মাগরিবের নামাযের পর হলে বলবেঃ
    «لا إله إلا الله وحده لا شريك له، له الملك وله الحمد وهو على كلّ شيء قدير» (رواه البخاري و مسلم)
    উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলক ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলাকুল্লি শাইয়্যিন কাদীর। (১০ বার)
    অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্যিকার ইলাহ বা উপাস্য নেই। তিনি এক তাঁর কোনো অংশীদার নেই, তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা ও রাজত্ব আর তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। (তিরমিযী, আহমাদ ও নাসায়ী)w.app.m.rahman

    Saturday, 11 July 2015

    যদি কোন মুসলিমের ছুটে যাওয়া সালাত ও সিয়ামের সংখ্যা মনে না থাকে, তবে সে কিভাবে তার কাযা করবে?


    যদি কোন মুসলিমের ছুটে যাওয়া সালাত ও সিয়ামের সংখ্যা মনে না থাকে, তবে সে কিভাবে তার কাযা করবে? 
    উত্তর / বিবরণঃ
    ফাত্‌ওয়া নং - 72216 
    সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

    প্রথমত:
    ছুটে যাওয়া সালাতের ক্ষেত্রে তিনটি অবস্থা হতে পারে :
    প্রথম অবস্থা :
    ঘুম বা ভুলে যাওয়ার কারণে সালাত ছুটে যাওয়া। এ অবস্থায় তার উপর কাযা করা ওয়াজিব। এর দলীল রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী :
    من نسي صلاة أو نام عنها فكفارتها أن يصليها إذا ذكرها رواه البخاري (572 ) ومسلم ( 684 ) – واللفظ له - .
    “যে সালাত আদায় করতে ভুলে যায় বা সে সময় ঘুমিয়ে থাকায় তা ছুটে যায়, তার কাফফারাহ হলো সে যখনই তা মনে করবে তখনই (সাথে সাথে) সালাত আদায় করে নিবে।”
    [বুখারী (৫৭২) ও মুসলিম (৬৮৪)। (শব্দ চয়ন) সহীহ মুসলিমের]
    এবং সে তা ধারাবাহিকভাবে আদায় করবে যেমনটি তার উপর ফরয হয়েছে, প্রথমটি প্রথমে করবে। এর দলীল জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ এর হাদীস -
    أن عمر بن الخطاب رضي الله عنه جاء يوم الخندق بعد ما غربت الشمس فجعل يسب كفار قريش قال : يا رسول الله ما كدت أصلي العصر حتى كادت الشمس تغرب ، قال النبي صلى الله عليه وسلم : والله ما صليتها ، فقمنا إلى بطحان فتوضأ للصلاة وتوضأنا لها فصلَّى العصر بعد ما غربت الشمس , ثم صلى بعدها المغرب . رواه البخاري ( 571 ) ومسلم ( 631 )
    “উমার ইবনুল খাত্তাব-রাদিয়াল্লাহু-‘আনহু-খানদাকের যুদ্ধের দিন সূর্যাস্তের পর এসে ক্বুরাইশ কাফিরদের গালি দিতে লাগলেন, তিনি বললেন : “হে রাসূলুল্লাহ, আমি ‘আসরের সালাত আদায় করতে যেতে যেতে সূর্য ডুবে যেতে লাগল !” নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বললেন : “আল্লাহর শপথ, আমিও এর (‘আসরের) সালাত আদায় করি নি।” এরপর আমরা বাত্বহান-এ দাঁড়ালাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম সালাতের জন্য ওযু করলেন, আমরাও সালাতের জন্য ওযু করলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া-সাল্লাম সূর্য অস্ত যাওয়ার পর ‘আসরের সালাত আদায় করলেন, এরপর মাগরিব এর সালাত আদায় করলেন।” [বুখারী (৫৭১) ও মুসলিম (৬৩১)]
    দ্বিতীয় অবস্থা:
    এমন ‘উযরের কারণে সালাত ছুটে যাওয়া, যে সময় কোনো হুঁশ থাকে না, যেমন- কোমা। এ অবস্থার ক্ষেত্রে তার উপর থেকে সালাত (আদায়ের দায়িত্ব) উঠে যায় এবং তার উপর তা কাযা করা ওয়াজিব হয় না।
    ফাতওয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটির ‘আলিমগণকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়েছিল :
    আমার এক গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটেছিল, ফলে তিন মাস হাসপাতালে শুয়ে ছিলাম, এ সময়ে আমার কোনো হুঁশ ছিল না। এ পুরো সময় আমি কোনো সালাত আদায় করি নি। আমার উপর থেকে কি তা (সালাত আদায়ের দায়িত্ব) উঠে যাবে নাকি পূর্বের সব (ছুটে যাওয়া) সালাত পুনরায় আদায় করব?
    তাঁরা উত্তরে বললেন :
    “উল্লেখিত সময়ের সালাত [কাযা আদায়ের দায়িত্ব] আপনার থেকে ছুটে যাবে; কারণ আপনার তখন কোনো হুঁশ ছিল না।”
    তাঁদেরকে আরও প্রশ্ন করা হয়েছিল:
    যদি কেউ এক মাস অজ্ঞান অবস্থায় থাকে আর এ পুরো মাস কোনো সালাত আদায় না করে, তবে সে কীভাবে ছুটে যাওয়া সালাত পুনরায় আদায় করবে?
    তাঁরা উত্তরে বলেন:
    “এ সময়ে যে সালাতসমূহ বাদ গিয়েছে তা কাযা করবে না, কারণ সে উল্লেখিত অবস্থায় পাগলের হুকুমের মধ্যে পড়ে। আর পাগল ব্যক্তির জন্য কলম উঠানো হয়েছে (অর্থাৎ তার উপর শারী‘আতের বিধি-বিধান প্রযোজ্য নয়)।” [ফাত্‌ওয়া আল-লাজ্‌নাহ আদ-দা’ইমাহ (৬/২১)]
    তৃতীয় অবস্থা:
    ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ‘উযর (অজুহাত) ছাড়া সালাত ত্যাগ করা, আর তা কেবল দুই ক্ষেত্রেই হতে পারে:
    এক: সে যদি সালাতকে অস্বীকার করে, এর ফরয হওয়াকে মেনে না নেয়, তবে সে লোকের কুফরের ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই। কারণ সে ইসলামের ভিতরে নেই। তাকে (আগে) ইসলামে প্রবেশ করতে হবে, এরপর এর আরকান ও ওয়াজিবসমূহ পালন করতে হবে। আর কাফির থাকা অবস্থায় যে সালাত ত্যাগ করেছে তার কাযা করা তার উপর ওয়াজিব নয়।
    দুই: সে যদি অবহেলা বা অলসতাবশত সালাত ত্যাগ করে, তবে তার কাযা শুদ্ধ হবে না। কারণ সে যখন তা ত্যাগ করেছিল, তখন তার কোন গ্রহণযোগ্য ‘উযর (অজুহাত) ছিল না। আর আল্লাহ সালাতকে সুনির্ধারিত, সুনির্দিষ্ট এক সময়ে ফরয করেছেন। আল্লাহ্ সুবহানুহূ ওয়া তা‘আলা বলেছেন :
    ﴿إِنَّ ٱلصَّلَوٰةَ كَانَتۡ عَلَى ٱلۡمُؤۡمِنِينَ كِتَٰبٗا مَّوۡقُوتٗا ١٠٣ ﴾ [النساء: ١٠٣]
    “নিশ্চয়ই নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় করা মু’মিনদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।” [আন-নিসা: ১০৩]
    অর্থাৎ এর সুনির্দিষ্ট সময় আছে। এর দলীল হলো রাসূলের সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাণী:
    «مَنْ عَمِلَ عَمَلا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ» رواه البخاري (2697) ومسلم (1718)
    “যে এমন কোন কাজ করে যা আমাদের (শারী‘আত এর) অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে তা প্রত্যাখ্যাত।” [এটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারী (২৬৯৭) ও মুসলিম (১৭১৮)]
    শাইখ ‘আব্দুল ‘আযীয ইবনু বায-রাহিমাহুল্লাহ-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল :
    আমি ২৪ বছর বয়সের আগে সালাত আদায় করি নি। এখন আমি প্রতি ফরয সালাত এর সাথে আরেকবার ফরয সালাত আদায় করি। আমার জন্য কি তা করা জায়েয (বৈধ)? আমি কি এভাবেই চালিয়ে যাব নাকি আমার উপর অন্য কোন করণীয় আছে?
    তিনি বলেন : “যে ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ত্যাগ করে, সঠিক মতানুসারে তার উপর কোনো কাযা নেই। বরং তাকে আল্লাহ তা‘আলার কাছে তাওবাহ করতে হবে; কারণ সালাত ইসলামের স্তম্ভ, তা ত্যাগ করা ভয়াবহ অপরাধসমূহের একটি। বরং ইচ্ছাকৃতভাবে তা (সালাত) ত্যাগ করা ‘বড় কুফর’ যা ‘আলিমগণের দুটি মতের মধ্যে সবচেয়ে সঠিকটি, কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে প্রমাণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন :
    «العهد الذي بيننا وبينهم الصلاة فمن تركها فقد كفر »
    “আমাদের ও তাদের (কাফেরদের) মাঝে চুক্তি হলো সালাত; তাই যে তা ত্যাগ করে, সে কাফের হয়ে গেলো।”
    [ইমাম আহমাদ ও সুনানের সংকলকগণ সহীহ ইসনাদ সূত্রে বুরাইদাহ-রাদিয়াল্লাহু আনহু-হতে বর্ণনা করেছেন]
    আর রাসূল-সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী :
    «بين الرجل وبين الشرك والكفر ترك الصلاة »
    “একজন ব্যক্তি এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাত ত্যাগ করা।”
    [ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে জাবির ইবনু ‘আব্দিল্লাহ-রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহুমা-থেকে বর্ণনা করেছেন। সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে এ ব্যাপারে আরও অনেক হাদীস রয়েছে, যাতে এ ব্যাপারে ইঙ্গিত পাওয়া যায়]
    এক্ষেত্রে ভাই আপনার উপর কর্তব্য হলো আল্লাহর নিকট সত্যিকার অর্থে তাওবাহ করা। আর তা হলো-(১) পূর্বে যা গত হয়েছে তার ব্যাপারে অনুতপ্ত হওয়া; (২) সালাত ত্যাগ একেবারে ছেড়ে দেয়া; এবং (৩) এ মর্মে দৃঢ় সংকল্প করা যে, এ কাজে আপনি আর কখনও ফিরে যাবেন না।
    আর আপনাকে প্রতি সালাতের সাথে বা অন্য সালাতের সাথে কাযা করতে হবে না, বরং আপনাকে শুধু তাওবাহ করতে হবে। আর সকল প্রশংসা আল্লাহর। যে তাওবাহ করে আল্লাহ তার তাওবাহ কবুল করেন। আল্লাহ -সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা- বলেছেন:
    ﴿وَتُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ ٣١ ﴾ [النور: ٣١]
    “হে মু’মিনগণ তোমরা সবাই আল্লাহর নিকট তাওবাহ করো,যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।” [আন-নূর : ৩১]
    আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
    «التائب من الذنب كمن لا ذنب له»
    “পাপ থেকে তাওবাহকারী এমন ব্যক্তির ন্যায় যার কোন পাপই নেই।”[1]
    তাই আপনাকে সত্যিকার অর্থে তাওবাহ করতে হবে, নিজের নাফসের সাথে হিসাব-নিকাশ করতে হবে, সঠিক সময়ে জামা‘আতের সাথে সালাত আদায়ের ব্যাপারে সদা-সচেষ্ট থাকতে হবে, আপনার দ্বারা যা যা হয়েছে সে ব্যাপারে আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে হবে এবং বেশি বেশি ভাল কাজ করতে হবে। আর আপনাকে কল্যাণের সুসংবাদ জানাই, আল্লাহ-সুবহানাহূ ওয়া তা‘আলা -বলেছেন :
    ﴿ وَإِنِّي لَغَفَّارٞ لِّمَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا ثُمَّ ٱهۡتَدَىٰ ٨٢ ﴾ [طه: ٨٢]
    “আর যে তাওবাহ করে, ঈমান আনে, সৎকর্ম করে এবং হিদায়াতের পথ অবলম্বন করে, নিশ্চয়ই আমি তার প্রতি ক্ষমাশীল।” [ত্বাহা : ৮২]
    সূরা আল-ফুরক্বান-এ শিরক, হত্যা, যিনা (ব্যভিচার) উল্লেখ করে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন :
    ﴿وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ يَلۡقَ أَثَامٗا ٦٨ يُضَٰعَفۡ لَهُ ٱلۡعَذَابُ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ وَيَخۡلُدۡ فِيهِۦ مُهَانًا ٦٩ إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ عَمَلٗا صَٰلِحٗا فَأُوْلَٰٓئِكَ يُبَدِّلُ ٱللَّهُ سَيِّ‍َٔاتِهِمۡ حَسَنَٰتٖۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمٗا ٧٠ ﴾ [الفرقان: ٦٧-٦٩]
    “আর যে তা করল সে পাপ করল, ক্বিয়ামাতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ করে দেয়া হবে এবং সে সেখানে অপমানিত অবস্থায় চিরকাল অবস্থান করবে, তবে সে ছাড়া যে তাওবাহ করেছে, ঈমান এনেছে এবং ভাল কাজ করেছে; আল্লাহ তাদের খারাপ কাজ সমূহকে ভাল কাজে পরিবর্তন করে দিবেন। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ মহা ক্ষমাশীল, পরম দয়াময় ।” [আল-ফুরক্বান : ৬৯-৭০]
    আমরা আল্লাহ’র কাছে চাই আমাদের ও আপনার জন্য তাওফীক্ব, বিশুদ্ধ তাওবাহ ও কল্যাণের পথে অবিচলতা।”
    [মাজমূ‘ফাত্‌ওয়া আশ-শাইখ ইবন বায (১০/৩২৯,৩৩০)]
    দ্বিতীয়ত :
    আর সিয়াম কাযা করার ক্ষেত্রে, আপনার সিয়াম ত্যাগ করা যদি আপনার সালাত ত্যাগ করা অবস্থায় হয়, তবে আপনার উপর সে সব দিনের, যে সব দিনে আপনি সাওম ভঙ্গ করেছেন তার কাযা করা ওয়াজিব নয়, কারণ যে সালাত ত্যাগ করে, সে বড় কুফর সংঘটনকারী কাফির (যা মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে দেয়) যেমনটি পূর্বে উল্লেখিত হয়েছে। আর কোনো কাফির যদি ইসলাম কবুল করে, কুফর অবস্থায় সে যে ‘ইবাদাতগুলো ত্যাগ করেছিল, তা কাযা করা তার জন্য বাধ্যতামূলক নয়।
    আর যদি আপনার সিয়াম ত্যাগ সালাত আদায় করা অবস্থায় হয়ে থাকে, তবে এক্ষেত্রে শুধু দুটো সম্ভাব্য ব্যাপারই ঘটতে পারে :
    প্রথমত : আপনি রাতে সিয়ামের নিয়্যাত করেন নি, বরং সাওম ভঙ্গের ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ ছিলেন। এক্ষেত্রে আপনার পক্ষ থেকে কাযা শুদ্ধ হবে না। কারণ আপনি কোন ‘উযর (গ্রহণযোগ্য অজুহাত) ছাড়া শারী‘আতে নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করণীয় ‘ইবাদাত ত্যাগ করেছেন।
    দ্বিতীয়ত : আপনি সিয়াম শুরু করার পর সেই দিনে তা ভঙ্গ করেছেন। এক্ষেত্রে আপনার উপর কাযা করা ফরয। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রমযান মাসে দিনের বেলায় (যৌন) মিলনকারী ব্যক্তিকে কাফফারাহ আদায় করার আদেশ দিলেন, তখন বললেন:
    «صم يوماً مكانه» رواه أبو داود (2393) , وابن ماجه (1671) , وصححه الألباني في "إرواء الغليل" (940)
    “তুমি সে দিনের পরিবর্তে একদিন সাওম পালন কর।”
    [এটি বর্ণনা করেছেন আবূ-দাঊদ (২৩৯৩), ইবনু মাজাহ (১৬৭১) এবং আল-আলবানী “ইরওয়াউল গালীল”-এ (৯৪০)-একে সহীহ বলেছেন]
    আর শাইখ ইবনু ‘উসাইমীনকে রমযান মাসে দিনের বেলা কোনো ‘উযর (সঙ্গতকারণ) ছাড়া সাওম ভঙ্গ করা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি উত্তরে বলেন:
    “রমযান মাসে দিনের বেলা কোন ‘উযর ছাড়া সাওম ভঙ্গ করা সবচেয়ে বড় (কাবীরাহ) গুনাহসমূহের একটি, এ দ্বারা সে ব্যক্তি ফাসিক্ব হয়ে যাবে। তার উপর ওয়াজিব হবে আল্লাহর কাছে তাওবাহ করা, যেদিন সাওম ভঙ্গ করেছিল সেদিনের কাযা করা, অর্থাৎ সে যদি সাওম পালন শুরু করে দিনের মাঝে কোনো ‘উযর (অযুহাত) ছাড়া সাওম ভঙ্গ করেছে তার কাযা করতে হবে। কারণ যেহেতু সে সাওম শুরু করেছে, তার ব্যাপারে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিল এবং তা ফরয এই বিশ্বাসে তাতে প্রবেশ করেছে, তাই তার উপর এর কাযা করা বাধ্যতামূলক। নাযর (মান্নতের) এর ন্যায়।
    আর যদি কোন ‘উযর ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে শুরু থেকেই সাওম ত্যাগ করে, তবে অধিক শক্তিশালী মতানুসারে তাকে তার কাযা আদায় করতে হবে না, কারণ সে এর দ্বারা কোনো উপকার পাবে না। এটি এজন্য যে, তা তার থেকে কবুল করা হবে না। এক্ষেত্রে মূলনীতিটি হলো-সকল ‘ইবাদাত যা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্ধারিত, তা কোনো ‘উযর (গ্রহণযোগ্য কারণ) ছাড়া সেই নির্দিষ্ট সময় থেকে বিলম্বে করা হলে, তা তার থেকে কবুল করা হবে না। এর দলীল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী :
    «مَنْ عَمِلَ عَمَلا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ» رواه البخاري (2697) ومسلم (1718)
    “যে এমন কোন কাজ করে যা আমাদের (শারী‘আত এর) অন্তর্ভুক্ত নয়, তবে তা প্রত্যাখ্যাত।” [এটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারী (২৬৯৭) ও মুসলিম (১৭১৮)]
    কারণ তা আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা লঙ্ঘন করার মধ্যে পড়ে আর আল্লাহ তা‘আলা নির্ধারিত সীমারেখা লঙ্ঘন করা যুলুম (অবিচার)। আর যালিম ব্যক্তির কাছ থেকে সেই যুলুম কবুল করা হবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
    ﴿وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ ٱللَّهِ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّٰلِمُونَ ٢٢٩ ﴾ [البقرة: ٢٢٩]
    “আর যারা আল্লাহ নির্ধারিত সীমারেখা লঙ্ঘন করে তারা হলো জালিম।” [আল-বাকারাহ: ২২৯]
    আর এটি এজন্য যে, সে যদি এই ‘ইবাদাত নির্ধারিত সময় হবার আগে অর্থাৎ তা করার সময় শুরু হবার আগেই করত, তবে তা তার কাছ থেকে কবুল হত না। একই ভাবে সে যদি তা (সেই ‘ইবাদাতের) সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরে করে, তবে তাও তার কাছ থেকে কবুল হবে না যদি না সে মা‘যূর (অপারগ বা সঙ্গত কারণ বিশিষ্ট) হয়।”
    [মাজমূ ‘ফাত্‌ওয়া আশ-শাইখ ইবন ‘উসাইমীন (১৯/প্রশ্ন নং ৪৫)]
    আর তার উপর কর্তব্য হলো সকল পাপ কাজ থেকে (আল্লাহর কাছে) সত্যিকার অর্থে তাওবাহ করা [উপরে উল্লেখিত ইবনু বাযের ফাত্‌ওয়ায় তাওবাহর তিনটি শর্তসহ], ফরয কাজসমূহ সময়মত অব্যাহত রাখা, খারাপ কাজ ত্যাগ করা, বেশি বেশি নফল ও নৈকট্য লাভ হয় এমন কাজ করা।
    আর আল্লাহই সবচেয়ে বেশি জানেন।
    ফুটনোটঃ [1] ইবন মাজাহ: হাদীস নং ৪২৫০। 
    ওমৰী কাজাৰ বিদাতী প্ৰথা এৰি ছহীহ ছূন্নত ধৰো আহক: