Thursday, 12 November 2015

নামাযে চারটি স্থান ব্যতীত অন্য কোন স্থানে হাত উত্তোলনের কথা কি প্রমাণিত আছে? ; রাসূলুল্লাহ (ছা)সিজদার সময় তিনি এরূপ করতেন না

প্রশ্নঃ নামাযে চারটি স্থান ব্যতীত অন্য কোন স্থানে হাত উত্তোলনের কথা কি প্রমাণিত আছে?
অনুরূপভাবে জানাযা ও দু’ঈদের ছালাতের তাকবীরের সময় হাত উত্তোলন করার কি বিধান?
(নামাযে রফউল ইয়াদাইন বা হাত উত্তোলনের বিধান কি?)
উত্তরঃ নামাযে যে চার স্থানে রফউল ইয়াদাইন বা হাত উত্তোলন করা সুন্নাত তা জেনে নেয়া আবশ্যক।
১. নামাযের প্রারম্ভে তাকবীর তাহরিমা বলার সময়
২. রুকূতে যাওয়ার সময়
৩. রুকূ থেকে উঠার সময়
৪. প্রথম তাশাহুদ শেষ করে তৃতীয় রাকাআতে উঠার সময়।
এই চারটি স্থানের বিষয়ে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বিশুদ্ধভাবে বর্ণনা এসেছে। দলীলঃ -
ইবনু ওমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ
أَنَّرَسُولَاللَّهِصَلَّىاللَّهعَلَيْهِوَسَلَّمَكَانَيَرْفَعُيَدَيْهِحَذْوَمَنْكِبَيْهِإِذَاافْتَتَحَالصَّلَاةَوَإِذَاكَبَّرَلِلرُّكُوعِوَإِذَارَفَعَرَأْسَهُمِنَالرُّكُوعِرَفَعَهُمَاكَذَلِكَأَيْضًاوَقَالَسَمِعَاللَّهُلِمَنْحَمِدَهُرَبَّنَاوَلَكَالْحَمْدُوَكَانَلَايَفْعَلُذَلِكَفِيالسُّجُودِ
“রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’কাঁধ বরাবর হাত দু’টিকে উত্তোলন (রফউল ইয়াদাইন) করতেন্ত যখন নামায শুরু করতেন, যখন রুকূর জন্য তাকবীর দিতেন এবং যখন রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন তখনও এরূপ হাত দু’টিকে উঠাতেন এবং বলতেন
‘সামিয়াল্লাহুলিমান হামীদাহ্‌ রাব্বানা ওয়ালাকাল হামদু ।’
তিনি বলেন, সিজদার সময় তিনি এরূপ করতেন না।”
ইবনু ওমার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর ক্রিয়াকলাপ সমূহ অতি সুক্ষ্ণভাবে অনুসন্ধান করতেন ও তার অনুসরণ করতেন। তিনি তাঁর নামাযের নিয়ম-কানুনগুলো অনুসন্ধান করে যা দেখেছেন তা ছিল -
তাকবীরে তাহরিমা, রুকূ করা, রুকূ থেকে উঠা এবং প্রথম তাশাহুদ থেকে উঠার সময় হাত উত্তোলন করা ।
আর তিনি বলেছেন, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ হাত উঠানো সিজদার সময় করতেন না। এরকম বলা ঠিক হবে না যে, হয়তো ইবনু ওমার সিজদার সময় হাত উঠানোর অবস্থাগুলো দেখেন নি বা সে সময় সতর্ক ছিলেন না। কেননা, তিনি কিছু কিছু স্থানের বর্ণনা দেয়ার পর বলেছেন এরূপ তিনি সিজদর সময় করতেন না। এদ্বারা বুঝা যায় তিনি নিশ্চিত হয়েই এ কথা বলেছেন সন্দেহ বা সংশয়ের উপর ভিত্তি করে নয়।
আর জানাযা ও দু’ঈদের প্রত্যেক তাকবীরের পরেও রফউল ইয়াদাইন বা হাত উত্তোলন করা শরীয়ত সম্মত।
গ্রন্থঃ ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম, বিভাগঃ সালাত, প্রশ্ন নং- ২৩৫।
ফাতওয়া দিয়েছেন আল্লামাহ, শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রহঃ)।

তাশাহ্‌হুদে বসে শাহাদাৎ আঙ্গুল নাড়াতেই থাকেন, নাড়াতেই থাকেন


প্রশ্নঃ আমরা এতকাল তাশাহ্‌হুদে বসে শাহাদাৎ আঙ্গুল দ্বারা একবার ইশারা করা শিখে আসছি। আপনারা দেখছি আঙ্গুল নাড়াতেই থাকেন, নাড়াতেই থাকেন! এর কাহিনী (দলিল) কি?
উত্তরঃ
======
তাশাহ্‌হুদে বসে শাহাদাৎ আঙ্গুল দ্বারা একবার ইশারা করা আমরাও এতকাল করেছি। কিন্তু এখন আমরা দেখতে পাই একবার ইশারা করার কোন দলিল নেই। এমনকি এর পক্ষে কোন জাল হাদীসও নেই।
আঙ্গুল কখন উঠাতে হবে এই নিযেও আমরা এতকাল ভুলের মধ্যে ছিলাম। প্রচলিত নামাজ শিক্ষার বইগুলোতে উল্লেখ আছে ‘লা ইলাহা’ বলার সময় আঙ্গুল উঠাতে হবে।। কিছু কিছু বইতে আছে ‘ইল্লাল্লাহ’ বলার সময় আঙ্গুল উঠাতে হবে। এগুলো সবই ব্যক্তি মতামত। সহীহ হাদীসে এগুলোর কোন দলিল নেই। সহীহ সনদ তো দূরের কথা জঈফ বা জাল সনদেও নেই।
অনুরূপভাবে আঙ্গুল উঠিয়ে আবার রেখে দেওয়ার কোন ভিত্তি নেই। বরং সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানীত যে, সালাম পর্যন্ত আঙ্গুল নাড়াতে হবে।[১]
উল্লেখ্য অনেকে আঙ্গুর উঠিয়ে রাখে কিন্তু ইশারা করে না। এটাও ঠিক নয়। কারন উক্ত মর্মে যে হাদীসটি আছে তা জঈফ।
আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের (রাঃ) বলেন,
-“রাসুলুল্লাহ ﷺ যখন দু’আ করতেন তখন আঙ্গুল দ্বারা ইশরা করতেন। কিন্তু নাড়াতেন না।”[২]
→তাহক্বীকঃ বর্ননাটি জঈফ।[৩]
‘আঙ্গুল নাড়াতেন না’ এই অংশটুকু সহীহ হাদীসে নেই। বরং আঙ্গুল নাড়ানোর পক্ষেই সহীহ হাদীস রয়েছে। রাবী ওয়ায়েল বিন হুজুর বলেন, আমি দেখতাম তিনি আঙ্গুল নাড়িয়ে দা’আ করতেন।[৪]
ইবনু আবযা(রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল ﷺ সালাতে শাহাদাৎ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন।[৫]
►অতএব তাশাহ্‌হুদ পড়ার সময় করনীয়গুলো হলো-
√ রাসুল ﷺ যখন তাশাহ্‌হুদে বসতেন, তখন দু’আ করতেন। তিনি ডান হাত ডান উরুর উপর এবং বাম হাত বাম উরুর উপর রাখতেন। আর শাহাদাৎ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন এবং বৃদ্ধা আঙ্গুল মধ্যমা আঙ্গুলের উপর রাখতেন। আর বাম হাতের পাতা দ্বারা বাম হাঁটু চেপে ধরতেন।[৬]
√ শুরু করে শেষ পর্যন্ত কিংবা শেষ বৈঠক সালাম ফিরানো পর্যন্ত হাতের শাহাদাৎ আঙ্গুল দ্বারা সর্বদা ইশারা করতে হবে।
√ এসময় দৃষ্টি থাকবে আঙ্গুলের মাথায়।[৭]
√ দুই তাশাহ্‌হুদেরই ইশারা করতে হবে।[৮]
√ আরবী তিপ্পান্নের ন্যায় ডান হাত মুষ্টিবদ্ধ করে শাহাদাৎ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করা।[৯]
√ হাতের সবগুলো অঙ্গুলী মুষ্টিবদ্ধ করে তর্জনী দ্বারা কিবলার দিকে ইঙ্গিত করা ও সেদিকে দৃষ্টি নিক্ষপ করা।
-“রাসুল ﷺ বাম হাতের তালু বাম হাঁটুর উপর বিছিয়ে দিতেন, আর ডান হাতের সবগুলো অঙ্গুলী মুষ্টিবদ্ধ করে তর্জনী দ্বারা কিবলার দিকে ইঙ্গিত করতেন এবং সেদিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করতেন।” [সহীহ মুসলিম হ/১৩৩৮, ১১৮৬(ইফা)]
[আল্লাহ আলেম]
---------------
[১] তাহক্বীক মিশকাত হা/৯০৬ এর টীকা দ্রঃ
[২] আবু দাউদ হা/৯৮৯, ১/১২৪ পৃঃ; নাসাঈ আল-কুবরা ১/৩৭২; বায়হাকী ২/১৩২; মিশকাত হা/৯১২]
[৩] জঈফ আবুদ হা/৯৮৯;
[৪] নাসাঈ হা/৮৮৯, ১/১০৩ পৃঃ ও ১২৬৮, ১/১৪২ পৃঃ সনদ সহীহ।
[৫] আহমাদ হা/১৫৪০৫, সনদ সহীহ, সিলসিলা সহীহহা হা/৩১৮১
[৬] সহীহ মুসলীম হা/১১৯৫, ১১৮৪(ই.ফা),১১৯৬(ই.সে)
[৭] নাসাঈ হা/১২৭৫, ১/১৪২ পৃঃ হা/১১৬০, ১/১৩০ পৃঃ
[৮] বায়হাকী সুনানুল কুবরা হা/২৯০৩; সনদ সহীহ, সিফাতু সালাতিন নবী, পৃঃ১৫৯]
[৯] সহীহ মুসলীম হা/১১৯৭, ১১৮৬(ই.ফা),১১৯৮(ই.সে)
[১০] [সহীহ মুসলিম হ/১৩৯৮, ১১৮৭(ইফা), ১১৯৯(ই.সে)]

গ্রন্থঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) with many duas

Click for main site
There are two books on sahih hadith's Salat-[1]-গ্রন্থঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শির & [2]-গ্রন্থঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ)
Log on this book[1]-গ্রন্থঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শির....[2]-গ্রন্থঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) this as follows..
-------------------------------------------------------------------------------------------------
অনুধাবন করুন
সূচীপত্র
বিভিন্ন সময়ের দো‘আ সমূহ (الدعوات فى الأوقات)
সূচীপত্র (Many duas attached in every followind duas)

Wednesday, 11 November 2015

তোমালোকে মোক যেনেকৈ চালাত আদায় কৰোতে দেখিছা ঠিক তেনেকৈয়েই চালাত আদায় কৰা : পুৰুষ/মহিলা : হাত বুকুত বন্ধা-নাৰী হওঁক বা পুৰুষ-Dr.A.Ali


১৫তম খণ্ড
তোমালোকে মোক যেনেকৈ চালাত আদায় কৰোতে দেখিছা ঠিক তেনেকৈয়েই চালাত আদায় কৰা”।
(ছহীহ আল বুখাৰী।)
ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ চালাত (নামাজ)-
ইবৰাহীম নাখঈ ৰহঃ য়ে এইমত পোষন কৰিছে যেঃ "পুৰুষসকলে চালাতত যি কৰিব মহিলাসকলেও তাকেই কৰিব। (ইবনে শায়বাহ- চনদ ছহীহ)।
বুখাৰী ৰহঃ ই আত্ তাৰীখ আছ ছাগীৰ গ্রন্থৰ ৯৫ পৃষ্ঠাত ছহীহ চনদ সহ প্রখ্যাত মহিলা চাহাবী উম্মুদ্ দাৰদা (ৰাঃ) ৰ পৰা বর্ণনা কৰিছে, ‘তেওঁ (ৰাঃ)চালাতত পুৰুষৰ দৰে বহিছিল আৰু তেওঁ আছিল ফকীহ্ ।’ অর্থাৎ ফিক্হ সম্পর্কিত জ্ঞানৰ অধিকাৰীণী।
আবু দাউদ ৰহঃ য়ে ‘আল-মাৰাছীল’ গ্রন্থত ইয়াযীদ বিন আবী হাবীবৰ পৰা বর্ণনা কৰিছে, ‘ছাজদাত বুকুৰ কামি হাড়ৰ লগত হাত মিলাই ৰাখিব আৰু এই ক্ষেত্রত তেওঁলোক পুৰুষসকলৰ দৰে নহয়’ এইটো মুৰছাল হাদীছ আৰু এইটো ছহীহ নহয়।
*** মুৰছাল হাদীছঃ যি হাদীছৰ চনদৰ শেষৰ ফালে বর্ণনাকাৰী বাদ পৰিছে অর্থাৎ ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লাম আৰু তাবিঈৰ মাজত শৃঙ্খল বিচ্ছিন্ন হৈ পৰিছে তাকে মুৰছাল বোলা হয়।
মুৰছাল হাদীছক প্রত্যাখ্যাত শ্রেণীৰ ভিতৰত উল্লেখ কৰাৰ কাৰণ হল সেই বর্ণনাকাৰীৰ অৱস্থা সম্পর্কে নজানা। কিয়নো, উক্ত উহ্য ব্যক্তি চাহাবীও হব পাৰে, তাবিঈও হব পাৰে। দ্বিতীয় অৱস্থাত তেওঁ দুর্বলও হব পাৰে, আকৌ নির্ভৰযোগ্যও হব পাৰে ইত্যাদি।
ইমাম আবূ হানীফা (ৰঃ) আৰু ইমাম মালিক (ৰঃ) য়ে মুৰছাল হাদীছ সন্দেহাতীতভাৱে গ্রহণৰ মত দিছে। আনহাতে ইমাম শাফিঈ আৰু ইমাম আহমাদ (ৰঃ) সেয়া অগ্রহণযোগ্য বুলি কৈছে। ***(ছূনান আবূ দাউদ, ১ম খন্ড, পৃঃ ৩)।
হাত কত বান্ধিব লাগিবঃ
ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী হাত বুকুত বান্ধিব লাগিব। নাৰী হওঁক বা পুৰুষ। ওয়াৱেল ইবনে হুজৰ (ৰাঃ) য়ে কৈছে, "মই নবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামৰ লগত চালাত আদায় কৰিছো। তেওঁ তেওঁৰ সোঁহাত বাওঁ হাতৰ ওপৰত ৰাখি বুকুৰ ওপৰত হাত বান্ধিছিল। (ইবনে খুযাইমাহ ১ম খন্ড, ২৪৩পৃঃ, বুলুগুল মাৰাম ২০ পৃঃ)।
ইয়াৰ বাহিৰেওঁ বুকুৰ ওপৰত হাত বন্ধাৰ চাৰিটা হাদীছ পোৱা যায়। হানাফী মাযহাবৰ মহাবিদ্বান আল্লামা আইনী ৰহঃ য়ে কৈছে, নাভীৰ তলত হাত বন্ধাৰ হাদীছটোৰ চনদ ৰাছূলুল্লাহ চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামলৈকে বিশুদ্ধ নহয়। এইটো আলী (ৰাঃ) ৰ উক্তি আৰু আলীৰ পৰা সেই বর্ণনাৰ সুত্রৰ মাজতো গণ্ডগোল আছে। কাৰন সেই চনদত আব্দুৰ ৰহমান ইবনে ইছহাক্ক কুফী আছে, যাক ইমাম আহমদ ৰহঃ য়ে কৈছে, লোকজন একেবাৰে বাজে, আৰু অস্বীকৃত। (ওমদাতুল ক্বাৰী, ২৭৯পৃঃ)।
হিদায়াৰ ব্যাখ্যাকাৰ আল্লামা ইবনুল হুমাম হানাফী ৰহিমাহুল্লাুয়ে কৈছে, ইমাম নৱভী ৰহঃ ই কৈছে, আবু দাউদ আৰু মুছনাদে আহমাদত বর্ণিত হাদীছটো যঈফ হোৱাৰ ক্ষেত্ৰত আটায়ে একমত। (ফতহুল ক্বদীৰ ১ম খন্ড ১১৭পৃৎ)।
হিদায়াৰেই আন এক ব্যাখ্যাকাৰী আল্লামা আব্দুল হাঈ লখনৱী হানাফী ৰহঃ য়ে কৈছে, ‘সেই হাদীছটো ক্ৰটিৰে পৰিপূর্ণ যিটো যঈফ হোৱাৰ কাৰণে ওয়াৱেল ইবনে হুজৰ ৰাঃ বর্ণিত (বুকুত হাত বান্ধা) হাদীছৰ সন্মূখত প্রত্যাখ্যানযোগ্য। (হিদায়া ১/৮৬পৃঃ)।
যিসকলে নাভীৰ তলত হাত বান্ধে আৰু বান্ধিব নির্দেশ দিয়ে তেওঁলোকৰ ওচৰত হিদায়াৰ মূল্য কিমান বা তেওঁলোকে হিদায়াক কিমান সম্মান কৰে। হিদায়াৰ প্রথমতেই লিখা আছে, ‘নিশ্চয়ই হিদায়া কুৰআনৰ দৰে।’
ছালতত থিয় হৈ নাভীৰ ওপৰত হাত বন্ধাৰ আৰু কিছু দলীলঃ মিশকাতঃ
মাওলানা নূৰ মোহাম্মদ আযমী- ২য় খন্ড, হাঃ নং- ৭৪১, ৭৪২, মিশকাত (মাদৰাছাৰ পাঠ্য) ঃ ২য় খন্ড, হাঃ নং- ৭৪১, ৭৪২, বাংলা অনুবাদঃ বুখাৰী শৰীফ (মাওলানা আজীজুল হক)ঃ ১ম খন্ড, হাঃ নং- ৪৩৫, ছহীহ আল বুখাৰী (ইঃ ফাঃ)ঃ ২য় খন্ড, হাঃ নং- ৭০২, মুছলিম শৰীফ (ইঃ ফাঃ)ঃ ২য় খন্ড, হাঃ নং- ৮৫১, আবূ দাউদ শৰীফ (ইঃ ফাঃ)ঃ ১ম খন্ড, হাঃ নং- ৭৫৯, তিৰমিযী শৰীফ (ইঃ ফাঃ)ঃ ১ম খন্ড, হাঃ নং- ২৫২, জামে তিৰমিযী (মাওলানা আব্দু নূৰ সালাফী)ঃ ১ম খন্ড, হাঃ নং- ২৪৪)

Monday, 9 November 2015

অজুর ফজিলতঃ



অজুর ফজিলতঃ

♦আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মুসলিম কিংবা মুমিন বান্দা যখন ওযু করবে এবং যখন সে নিজ মুখমণ্ডল ধৌত করবে, তখন তার মুখমণ্ডল হতে সেই গোনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যাবে, যে সব গোনাহ তার দু’টি চোখ দিয়ে দেখার ফলে সংঘটিত হয়েছিল। (অনুরূপভাবে) যখন সে নিজ হাত দু’টি ধোবে, তখন তা হতে সে সব পাপ পানির সাথে বা পানির শেষ বিন্দুর সাথে নির্গত হয়ে যাবে, যে সব পাপ তার দুই হাত দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। আর যখন সে নিজ পা দু’টি ধৌত করবে, তখন তার পা দু’টি হতে সে সমস্ত পাপরাশি পানির সঙ্গে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সঙ্গে বের হয়ে যাবে, যেগুলি তার দু’টি পায়ে চলার ফলে সংঘটিত হয়েছিল। শেষ অবধি সে (ক্ষুদ্র) পাপরাশি হতে পাক-পবিত্র হয়ে বেরিয়ে আসবে।”
[মুসলিম ২৪৪, তিরমিযী ২, আহমাদ ৭৯৬০, মুওয়াত্তা মালিক ৬৩]


♦উমার ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “পরিপূর্ণরূপে ওযু করে যে ব্যক্তি এই দো‘আ বলবে, ‘আশহাদু আল লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু অহদাহু লা শারীকা লাহ, অ আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু অরাসূলুহ।’ অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোন অংশী নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দাস ও প্রেরিত দূত (রাসূল)। তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে, যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা তাতে প্রবেশ করবে।” (মুসলিম) [1]


ইমাম তিরমিযী (উক্ত দুআর শেষে) এ শব্দগুলি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, «اَللهم اجْعَلْنِي مِنَ التَّوَّابِينَ، وَاجْعَلْنِي مِنَ المُتَطَهِّرِينَ»


অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারী ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত কর। (তিরমিযী, সহীহ, তামামুল মিন্নাহ দ্রঃ)


[1]মুসলিম ২৩৪, তিরমিযী ৫৫, নাসায়ী ১৪৮, ১৫১, আবূ দাউদ ১৬৯, ৯০৬, ইবনু মাজাহ ৪৭০, আহমাদ ১৬৯১২, ১৬৯৪২, ১৬৯৯৫