Showing posts with label WITR. Show all posts
Showing posts with label WITR. Show all posts

Wednesday, 28 September 2016

হনাফী ভাইদের বিতর পড়ার দলিলঃ

হনাফী ভাইদের বিতর পড়ার দলিলঃ

আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বলেন,
وِتْرُ اللَّيْلِ ثَلَاثٌ كَوِتْرِ النَّهَارِ صَلَاةُ الْمَغْرِبِ
রাতের বিতর তিন রাকআত, উহা হল দিনের বিতর মাগরিবের মত।
(সুনান দারাকুতনী ১৬৫৩)
দলিলটি ঠিকই গ্রহণ করল, কিন্তু ইমাম দারাকুতনীর মন্তব্যটা আর গ্রহণ করলেন না তারা। হাদীছটি বর্ণনা করার সাথে সাথেই তিনি বলে দিলেন -
يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا هَذَا يُقَالُ لَهُ: ابْنُ أَبِي الْحَوَاجِبِ ضَعِيفٌ
ইয়াহইয়া বিন জাকারিয়া যাকে বলা হতঃ ইবনু আবী হাওজাব তিনি যঈফ।
(ঐ হাদীছের সাথেই)

► মুহাক্বীক্ব মাজদী বিন মানসুর বলেন 'ইহার সনদ যঈফ। ইয়াহইয়া বিন জাকারিয়া কুফী ইবনু আবী হাওজাব যঈফ।'
(সুনান দারাকুতনী, ২/২০, ১৬৩৭, বৈরুত লেবানন থেকে ছাপা)

►ইবনু হাজার আসকালানী হাদীছটি সম্পর্কে বলেন
فيه يحيى بن زكريا بن أبي الحواجب، وهو واه، وعن عائشة نحوه، وفيه إسماعيل بن مسلم المكي، وهو واه أيضا
ইহার মধ্যে ইয়াহইয়া বিন জাকারিয়া ইবনু আবী হাওজাব আছেন, যিনি দূর্বল, এবং ইহার মধ্যে আছে ইসমাইল বিন মুসলিম মাক্কী, যিনিও দূর্বল। (দিরায়াহ ১/১৯২)

►  ইবনু কাইয়ুম হাদীছটিকে 'বাতিল' বলেছেন। ( أعلام الموقعين , ২/২৭২)

► ابن الملقن হাদীছটিকে যঈফ বলেছেন। (الإعلام , ৩/৫২৭)

Thursday, 22 September 2016

TYPES OF DUA QUNOOT AND THEIR DESCRIPTION


 
TYPES OF DUA QUNOOT AND THEIR DESCRIPTION

(i) Qunoot e Nazilah (Dua of the calamity - fardh salah)
(ii) Qunoot e witr (or the general Qunoot - isha'a witr ) 
(3) Raising the hands (to make dua) during the Qunootas shown in picture.
 
(i)-
 
বিঃদ্ৰঃ প্ৰচলিত “আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তায়িনুকা¸¸¸¸¸¸¸¸¸” এইটো বিতিৰৰ কুনুত নহয়। এইটো কুনুতে নাযেলা। তাৰোপৰি এইটো জয়ীফ কুনুত।
-------------------------------------------------------------------
(ii)-

 video- https://youtu.be/CkII_YbOWv8
বিতিৰৰ কুনূতৰ ছহীহ দোৱা:-
মহানবী চাল্লাল্লাহু আলাইহি ৱাছাল্লামে হযৰত হাছান বিন আলী ৰাদ্বিয়াল্লাহু আনহুক তলৰ দুআ বিত্‌ৰ নামাযত ক্কিৰাআত শেষ কৰাৰ পিছত (ৰুকূৰ আগত) পঢ়িবলৈ শিকাইছিল:-
اَللّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ وَعَافِنِيْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِيْ شَرَّ مَا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضِيْ وَلاَ يُقْضى عَلَيْكَ إِنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَّالَيْتَ وَلاَ يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ لاَ مَنْجَا مِنْكَ إِلاَّ إِلَيْكَ (وَصَلَّى اللهُ عَلى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)।
উচ্চাৰণ:- আল্লা-হুম্মাহ্‌দিনী ফী মানহাদাইত। অআ-ফিনী ফীমান আ ফাইত। অতাওৱাল্লানী ফী মান তাওৱাল্লাইত। অবা-ৰিকলী ফী মা আ’ত্বাইত। অকি¸নী শ্বৰ্ৰামা ক্কবাযাইত। ফাইন্নাকা তাক্কয্বি অলা ইউক্কযা আলাইক। ইন্নাহু লা য়্যাযিল্লু মাঁ উওৱা-লাইত। অলা য়্যাইযযু মান আ’-দাইত। তাবা-ৰাকতা ৰাব্বানা অতাআ’-লাইত। লা মানজা মিনকা ইল্লা ইলাইক।
অর্থ - হে আল্লাহ! তুমি মোক হিদায়াত কৰি সিহঁতৰ দলভুক্ত কৰা যিসকলক তুমি হিদায়াত কৰিছা। মোক নিৰাপদে ৰাখি সিহঁতৰ দলভুক্ত কৰা যিসকলক তুমি নিৰাপদে ৰাখিছা, মোৰ সকলো কামৰ তত্ত্বাৱধান কৰি মোক সিহঁতৰ দলভুক্ত কৰা যিসকলক তুমি তত্ত্বাৱধান কৰিছা। তুমি মোক যি কিছু দান কৰিছা তাতে বৰকত দিয়া। মোৰ ভাগ্যত তুমি যি ফায়চালা কৰিছা তাৰ বেয়াৰ পৰা ৰক্ষা কৰা। কাৰণ তুমিয়েই ফায়চালা কৰি থাকা আৰু তোমাৰ ওপৰত কাৰো ফায়চালা নচলে। নিশ্চয় তুমি যাক ভালোপোৱা সি লাঞ্ছিত নহয় আৰু যাক বেয়া পোৱা সি সন্মানিত নহয়। তুমি বৰকতময় হে আমাৰ প্রভু আৰু তুমি চুমহান। তোমাৰ আযাবৰ পৰা তোমাৰ বাহিৰে কোন আশ্রয়স্থল নাই। (আবূদাঊদ, ছুনান, তিৰমিযী, ছুনান, নাছাঈ, ছুনান, আহমাদ, মুছনাদ, বায়হাকী, ইবনে মাজাহ্‌, ছুনান, মিশকাত ১২৭৩নং, ইৰ: ২/১৭২)


Sahih Dua E Qunoot With Urdu Translation
Abu Dawood Hadis 1425-1426, Tirimdhi Hadis 464
Musnad Ahmad 1/199-200, Ibne Khujema 2/151-152
 

---------------------------------------------------------------------------------
more- https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=740473396095254&id=100003978016301 
---------------------------------------------------------------------------------
(3)- Raising the hands (to make dua) during the Qunoot:-

Raising the hands for dua being  permissible bring forward the evidence that :-

1. From Ibn Mas’ood that he used to raise his hands in the Witr then after that hewould lower them.’
[Ref: chain Hasan – Collected by Abdur Razzaq (4/325)]

2. Narrations from prophet (s.a.w) and sahabas like Umar (r.a), Ibn abbas (r.a) and etc which state that they raised their hands during Qunoot e Nazilah. The scholars (to support raising the hands in Isha'a witr) imply the principle that "whatever is allowed in an obligatory act , it is also allowed in an optional (sunnah or nafil) act unless there is evidence prohibiting it"

[Ref : Collected by Ibn Abee Shaybah (3/316), Bayhaqi (2/212) & Ibn al-Mundhir (5/213)][Ref: Saheeh – Collected by Ibn Abee Shaybah (2/316)]


3. Another general evidence is - Narrated that Salmaan (may Allaah be pleased with him) said: The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “Your Lord, may He be blessed and exalted, is Kind and Most Generous, and He is too kind to let His slave, if he raises his hands (palms facing the sky) to Him, bring them back empty.” (i.e Allah very kind and doesn't like to reject the dua of his slave who makes dua like a beggar).

[Ref: Abu Dawood (1488-http://sunnah.com/abudawud/8/73) Classed as saheeh by Shaykh al-Albaani in Saheeh Abi Dawood, 1320]




 
 


Wednesday, 21 September 2016

Witr duas

Witr dua
[9/22, 12:22 PM] sogoodislam: Witr dua
https://m.facebook.com/sharer.php?fs=8&sid=757252767745898&refid=52
[9/22, 12:24 PM] sogoodislam: Witr
https://m.facebook.com/permalink.php?story_fbid=2112138695677189&id=100006432374190

Sahih dua-qunud in witr salah-Juber Rahman

Friday, 25 December 2015

বিতির সালাত পড়ার সওয়াব কতটুকু? : বিতরের সালাত কত রাকআত?


প্রশ্নঃ বিতির সালাত পড়ার সওয়াব কতটুকু?
======================
উত্তর-বিতির নামায লাল রংয়ের উটের চাইতে বেশি মূল্যবান।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“আল্লাহ একটি নামায দান করে তোমাদেরকে বিশেষ সুযোগ করে দিয়েছেন যা তোমাদের জন্য লাল রংয়ের উটের চাইতে উত্তম। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! সেটা কোন নামায? তিনি বললেন, ‘বিতির নামায’ যা পড়া হয় ইশা নামাযের পর থেকে ফযর উদয় হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।”
আবু দাউদঃ ১৪১৮, তিরমিযীঃ ৪৫২, ইবনে মাজাহ, দারেমী, হাদীসটি সহীহ।
“বিতির” শব্দের অর্থ কি?
বিতির শব্দের অর্থ হলো বেজোড়। আর বেজোড় সংখ্যা হলো ১, ৩, ৫, ইত্যাদি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বিতির সালাত হিসেবে ১ রাকাত, ৩ রাকাত, ৫ রাকাত, ৭ রাকাত, ৯ রাকাত ও ১১ রাকাতও পড়েছেন।
কখন পড়তে হবে?
ইশার পর থেকে ফযরের আগে পর্যন্ত পড়া যাবে। তবে রাতের সর্বশেষ সালাত হিসেবে বিতির পড়তে হবে। বিতির রাতের শেষ অংশে পড়া বেশি সওয়াব, তবে নিয়মিত উঠার অভ্যাস না থাকলে বা শেষ রাত্রে উঠার নিশ্চয়তা না থাকলে ঘুমানোর আগেই পড়ে ফেলতে হবে।
বিতরের সালাতে কি একবার নাকি দু’বার সালাম ফিরাব?
দু’টাই করা জায়েয আছে।
(ক) এক সালামে বিতর পড়ার দলীল :
মিসওয়ার বিন মাখরামা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাতের বেলা আমরা আবূ বাকার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কে দাফন করলাম। অতপর উমার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, ‘আমি বিতর পড়িনি। এই বলে তিনি দাঁড়ালেন আর আমার তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে গেলাম। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে ৩ রাকআত বিতর পড়তেন। শেষ রাকআতের আগে তিনি সালাম ফিরাতেন না (এক সালামে তিন রাকাত বিতর পড়তেন)। (ত্বহাবী : ১৭৪২)
(খ) দু’ সালামে বিতর পড়ার দলীল :
আবদুল্লাহ ইবনে ‘উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু (বিতরে সালাত) প্রথম দুই রাকআত শেষ করে সালাম ফিরাতেন এবং পরে শেষ (তৃতীয়) রাকআতে আবার সালাম ফিরাতেন। প্রথম দুই রাকআতের সালাম ফিরানের পর প্রয়োজনে কোন কাজের নির্দেশও দিতেন। (বুখারী : ৯২১)
আয়েশা সিদ্দিকা (রা) বলেছেন: রাসূল (স) তিন রাকাত বিতরের সালাত আদায় করতেন। দ্বিতীয় রাকাতে বৈঠক করতেন না, শেষ রাকাতে বৈঠক করতেন। (হাকেম:১১৪০)
দ্বিতীয় পদ্ধতি: অন্নান্য সালাতের মত প্রথমে দুই রাকাত পড়ে নিবেন। তাঁরপর পৃথকভাবে এক রাকাত পড়বেন এবং রুকুর আগে বা পরে দুয়া কুনুত পড়ে সিজদা শেষে বসে সালাম ফিরাবেন। (মুসলিম: ১২৫২)
[fm= সহীহ্ ইসলামী জিজ্ঞাসা ভিডিও ]
----------------------------------------------------------------------
প্রশ্ন: বিতরের সালাত কত রাকআত?
উত্তর : বিতরের সালাতের সর্বনিম্ন
সংখ্যা হল এক রাক‘আত এবং সর্বোচ্চ
হল ১১ রাকআত।
বিতরের সালাত ১ রাকআত পড়াও
জায়েয আছে। আল্লাহর নাবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেন :কেউ যদি ১ রাকআত বিতর
পড়তে চায়, তা সে করতে পারে। যে
ব্যক্তি বিতরের সালাত ৩ রাকআত
পড়তে চায়, তা সে পড়তে পারে।’’
কেউ ৫ রাকআত বিতর পড়তে চাইলে
তা সে পড়তে পারে।’’ (আবূ দাউদ :
১৪২২; নাসাঈ : ১৭১২)
এভাবে ৭ বা ৯ বা ১১ রাকআত পর্যন্ত
বিতরের সালাত আদায় করার সুযোগ
আছে, জায়েয আছে।
২-প্রশ্ন : বিতরের সালাতে কি
একবার নাকি দু’বার সালাম
ফিরাব?
উত্তর : দু’টাই করা জায়েয আছে।
(ক) এক সালামে বিতর পড়ার দলীল :
মিসওয়ার বিন মাখরামা থেকে
বর্ণিত, তিনি বলেন, রাতের বেলা
আমরা আবূ বাকার (রাদিয়াল্লাহু
আনহু) কে দাফন করলাম। অতপর উমার
(রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন, ‘আমি
বিতর পড়িনি। এই বলে তিনি
দাঁড়ালেন আর আমার তাঁর পেছনে
দাঁড়িয়ে গেলাম। এরপর তিনি
আমাদের নিয়ে ৩ রাকআত বিতর
পড়তেন। শেষ রাকআতের আগে তিনি
সালাম ফিরাতেন না (এক সালামে
তিন রাকাত বিতর পড়তেন)।
(ত্বহাবী : ১৭৪২)
(খ) দু’ সালামে বিতর পড়ার দলীল :
আবদুল্লাহ ইবনে ‘উমার
রাদিয়াল্লাহু আনহু (বিতরে সালাত)
প্রথম দুই রাকআত শেষ করে সালাম
ফিরাতেন এবং পরে শেষ (তৃতীয়)
রাকআতে আবার সালাম ফিরাতেন।
প্রথম দুই রাকআতের সালাম
ফিরানের পর প্রয়োজনে কোন
কাজের নির্দেশও দিতেন। (বুখারী
: ৯২১)
আয়েশা সিদ্দিকা (রা) বলেছেন:
রাসূল (স) তিন রাকাত বিতরের
সালাত আদায় করতেন। দ্বিতীয়
রাকাতে বৈঠক করতেন না, শেষ
রাকাতে বৈঠক করতেন।
(হাকেম:১১৪০)
দ্বিতীয় পদ্ধতি: অন্নান্য সালাতের
মত প্রথমে দুই রাকাত পড়ে নিবেন।
তাঁরপর পৃথকভাবে এক রাকাত পড়বেন
এবং রুকুর আগে বা পরে দুয়া কুনুত পড়ে
সিজদা শেষে বসে সালাম
ফিরাবেন। (মুসলিম: ১২৫২)
৩-প্রশ্ন: বিতরের সালাত কি
মাগরিবের ৩ রাকাতের নিয়মে
পড়তে হবে?
উত্তর :না । এরূপ করার কোন সহি
হাদিস নেই।
ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসুল
(সাঃ) বলেছেন, রাতের বিতর তিন
রাকাত উহা দিনের বিতর
মাগরিবের মত।
এই হাদিস যইফ-দারাকুত্নী
হাদিসটি বর্ননা করেন এবং যইফ
সাব্যস্ত করেন।
ইবনু ওমর (রাঃ) এর বরাতে,'মাগরিব
হচ্ছে দিনের বিতর। তোমরা
রাতের নামাজকে বিতর
কর।'তাবারানী উক্ত হাদিস বর্ননা
করেন।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত,
রাসুল (সাঃ) বলেন,
'তোমরা মাগরিবের সালাতের
সাথে সাদৃশ্য করে তিন রাকাত
বিতর পড় না, বরং পাঁচ রাকাত
দ্বারা, সাত রাকাত দ্বারা বা নয়
রাকাত দ্বারা কিংবা এগার
রাকাত দ্বারা বিতর
পড়।'দারাকুত্নী উক্ত হাদিস বর্ননা
করেন, হাদিস সহিহ।

------------------------------------------------------------------
 

বইঃ সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত], অধ্যায়ঃ ৩/ কিতাবুল বিতর (বিতর নামায), হাদিস নম্বরঃ ৪৫৯

৬ ॥ বিতর নামায পাঁচ রাক‘আত
৪৫৯ । আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতের নামাযের সংখ্যা ছিল তের রাকাআত। এর মধ্যে পাঁচ রাকাআত তিনি বিতর আদায় করতেন। এ পাঁচ রাক'আত আদায় শেষ করেই তিনি বসতেন। মুয়াযযিন আযান দিলে তিনি উঠে হালকা দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন। সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১২০৯, ১২১০), সালাতুত তারাবীহ, মুসলিম।
এ অনুচ্ছেদে আবু আইউব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আয়িশাহ'র হাদীসটি হাসান সহীহ । নাবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও অন্যরা বিতর নামায পাঁচ রাকাআত হওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এর কোন রাকাআতেই বসবে না, সর্বশেষ রাকাআতে বসবে।
আবু ঈসা বলেনঃ “নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নয় বা সাত রাকাআত বিতর পড়তেন” এই হাদীস সম্পর্কে আমি মুসআব আল-মাদীনীকে জিজ্ঞেস করলাম। আমি বললাম, তিনি কিভাবে নয় বা পড়ার পর সালাম ফিরাতেন এবং শেষে এক রাকাআত বিতর পড়তেন।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

Friday, 18 December 2015

বিতিৰৰ কুনূত -sahih

Juber Rahman বিত্‌ৰ নামাজৰ মুস্তাহাব ক্বিৰাআত-- এই নামাজত ছুৰা ফাতিহাৰ পিছত যিকোনো ছুৰা পঢ়িব পাৰি। তথাপি মুস্তাহাব হ'ল, প্রথম ৰাকআতত ছুৰা আ’লা, দ্বিতীয় ৰাকআতত ছুৰা কাফিৰুন আৰু তৃতীয় ৰাকআতত ছুৰা ইখলাছ পঢ়া। (আহমাদ, মুচনাদ, নাচাঈ,চুুনান, দাৰেমী, চুনান,হাকেম, মুস্তাদৰাক, মিশকাত ১২৭০-১২৭২নং) মহানবী (ছাঃ)এ মাজে-সময়ে তৃতীয় ৰাকআতত ছুৰা ইখলাছৰ সৈতে ছুৰা নাছ আৰু ফালাকও পাঠ কৰিছিল। (আবূদাঊদ, চুনান, তিৰমিজী, চুনান,হাকেম, মুস্তাদৰাক ১/৩০৫) বিতিৰৰ কুনূত : মহানবী (ছাঃ)এ হজৰত হাছান বিন আলী (ৰাঃ)-ক তলৰ দুআটো বিত্‌ৰ নামাজত ক্বিৰাআত শেষ কৰাৰ পিছত (ৰুকূৰ আগত) পঢ়িবলৈ শিকাইছিল:- اَللّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ وَعَافِنِيْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِيْ شَرَّ مَا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضِيْ وَلاَ يُقْضى عَلَيْكَ إِنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَّالَيْتَ وَلاَ يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ لاَ مَنْجَا مِنْكَ إِلاَّ إِلَيْكَ (وَصَلَّى اللهُ عَلى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)। উচ্চাৰণ:- আল্লা-হুম্মাহ্‌দিনী ফী মানহাদাইত। অআ-ফিনী ফীমান আ ফাইত। অতাওৱাল্লানী ফী মান তাওৱাল্লাইত। অবা-ৰিকলী ফী মা আ’ত্বাইত। অকি¸নী শাৰ্ৰমা ক্বাযাইত। ফাইন্নাকা তাক্বয্বি অলা ইউক্বয্বা আলাইক। ইন্নাহু লা য়্যাযিল্লু মাঁ উওয়া-লাইত। অলা য়্যাইযযু মান আ’-দাইত। তাবা-ৰাকতা ৰাব্বানা অতাআ’-লাইত। লা মানজা মিনকা ইল্লা ইলাইক। (অ স্বাল্লাল্লাহু আলা নাবিয়িনা মুহাম্মাদ।) অর্থ - হে আল্লাহ! তুমি আমাক হিদায়াত কৰা; তেওঁলোকৰ দলভুক্ত কৰা যিসকলক তুমি হিদায়াত কৰিছা। আমাক নিৰাপদে ৰাখি তেওঁলোকৰ দলভুক্ত কৰা যিসকলক তুমি নিৰাপদে ৰাখিছা, আমাৰ সকলো কামৰ তত্তাৱধান কৰি আমাক তেওঁলোকৰ দলভুক্ত কৰা যাক তুমি তত্তাৱধান কৰিছা। তুমি আমাক যি দান কৰিছা তাতে বৰকত দিয়া। আমাৰ ভাগ্যত তুমি যি ফায়চালা কৰিছা তাৰ বেয়াৰ পৰা ৰক্ষা কৰা। কাৰণ তুমিই ফায়চালা কৰি থাকা আৰু তোমাৰ ওপৰত কাৰো ফায়চালা নচলে। নিশ্চয় তুমি যাক ভালোপোৱা সি লাঞ্জিত নহয় আৰু যাক বেয়া পোৱা সি সন্মানীত নহয়। তুমি বৰকতময় হে আমাৰ প্রভু আৰু তুমি সুমহান। তোমাৰ আযাবৰ পৰা তোমাৰ বাহিৰে কোনো আশ্রয়স্থল নাই। আৰু আমাৰ নবীৰ ওপৰত আল্লাহ ৰহ্‌মত বর্ষণ কৰা। (আবূদাঊদ, চুনান, তিৰমিজী, চুনান, নাসচঈ, চুনান, আহমাদ, মুছনাদ, বায়হাকী, ইবনে মাজাহ্‌, চুনান, মিশকাত ১২৭৩নং, ইর: ২/১৭২) প্রকাশ থাকে যে, দুআৰ শেষত দৰূদৰ উল্লেখ উক্ত হাদীছ সমূহত নাথাকিলেও চালাফাসকলে আমলৰ শেষত দৰূদ পঢ়াৰ কথা সমর্থন কৰে। আৰু সেই কাৰণেই দুআৰ শেষত ইয়াত দৰূদ যুক্ত কৰা হৈছে। (তামামুল মিন্নাহ্‌, আলবানী ২৪৩পৃ:, চিফাতু স্বালাতিন নাবী (ছাঃ), আলবানী)
-----------------------------------------------------------------------------------------------

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ
_____________/////////______________

বিতরের সঠিক দুয়া কুনুতটি শিখে নিন।

বিতর সালাতে দুআ কুনুতঃ

اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ، وَعَافِنِىْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ، وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ، وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أَعْطَيْتَ، وَقِنِيْ شَرَّ مَا قَضَيْتَ، فَإِنَّكَ تَقْضِىْ وَلاَ يُقْضَى عَلَيْكَ، إنَّهُ لاَ يَذِلُّ مَنْ وَّالَيْتَ، وَ لاَ يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ، تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ، وَصَلَّى اللهُ عَلَى النَّبِىِّ-

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মাহ্দিনী ফীমান হাদায়িত , ওয়া ‘আ-ফিনী ফীমান ‘আ-ফাইত, ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইত, ওয়া বা-রিকলি ফীমা ‘আ‘ত্বাইত, ওয়া ক্বিনী শাররা মা ক্বাযাইত; ফাইন্নাকা তাক্বযী ওয়া লা ইয়ুক্বযা ‘আলাইক, ইন্নাহূ লা ইয়াযিল্লু মাঁও ওয়া-লাইত, ওয়া লা ইয়া‘ইয্ঝু মান্ ‘আ-দাইত, তাবা-রকতা রববানা ওয়া তা‘আ-লাইত, ওয়া সাল্লাল্লা-হু ‘আলান্ নাবী’।

অনুবাদ : হে আল্লাহ! তুমি যাদেরকে সুপথ দেখিয়েছ, আমাকে তাদের মধ্যে গণ্য করে সুপথ দেখাও। যাদেরকে তুমি মাফ করেছ, আমাকে তাদের মধ্যে গণ্য করে মাফ করে দাও। তুমি যাদের অভিভাবক হয়েছ, তাদের মধ্যে গণ্য করে আমার অভিভাবক হয়ে যাও। তুমি আমাকে যা দান করেছ, তাতে বরকত দাও। তুমি যে ফায়ছালা করে রেখেছ, তার অনিষ্ট হ’তে আমাকে বাঁচাও। কেননা তুমি সিদ্ধান্ত দিয়ে থাক, তোমার বিরুদ্ধে কেউ সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তুমি যার সাথে বন্ধুত্ব রাখ, সে কোনদিন অপমানিত হয় না। আর তুমি যার সাথে দুশমনী কর, সে কোনদিন সম্মানিত হ’তে পারে না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি বরকতময় ও সর্বোচ্চ। আল্লাহ তাঁর নবীর উপরে রহমত বর্ষণ করুন’।

সুনানু আরবা‘আহ, দারেমী, মিশকাত হা/১২৭৩ ‘বিতর’ অনুচ্ছেদ-৩৫; ইরওয়া হা/৪২৯, ২/১৭২।
---------
Firoz Sjr