Showing posts with label wozu. Show all posts
Showing posts with label wozu. Show all posts

Wednesday, 16 November 2016

পবিত্রতা অর্জনে প্রচলিত ভুল

পবিত্রতা অর্জনে
প্রচলিত ভুল
1. উযূ-গোসল বা তায়াম্মুমের শুরুতে মুখে নিয়্যাত পড়া। এটি বিদআত।
2. উযূ-গোসল বা তায়াম্মুমের পূর্বে বিসমিল্লাহ না বলা
3. প্রত্যেক অঙ্গ ধোয়ার সময় বিসমিল্লাহ বা নির্দিষ্ট দু’আ পড়া।
4. ঘুম থেকে জেগে উঠে উযূ করার সময় প্রথমে দুই হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে হাত ডুবানো।
5. পানি বেশী খরচ করা।
6. পূর্ণরুপে উযূ না করা।
7. কনুই অবধি পুরো হাত না ধোয়া।
8. গর্দান মাসেহ করা। এটি বিদআত।
9. অপবিত্র না হলেও প্রত্যেক উযূর পূর্বে শরমগাহ ধৌত করা।
10. কিছু লোক বিশেষ করে মোটা ব্যক্তি যখন গোসল করে তখন তার দেহের ভাঁজের ভিতর অংশে পানি পৌছে না। কারণ দেহের কিছু অংশ পরষ্পরের উপর চেপে থাকে যেমন বুক ও পেটের অবস্থা। পানি ঢালার সময় কেবল উপরের অংশে পৌছে আর তার নিচে শুষ্ক থেকে যায়। ফলে গোসলও অসম্পূর্ণ হয়।
11. আঙ্গুলের ফাঁক বিশেষ করে দু’পায়ের আঙ্গুলসমূহের মধ্যবর্তী স্থান শুষ্ক থেকে যায়। উযূ করার সময় দুই পায়ের উপর কেবল পানিই ঢেলে থাকে অথচ আঙ্গুলের ফাঁকে ফাকেঁ পানি পৌছে না। অনুরুপ ভাবে অনেকের গোড়ালিও শুষ্ক থেকে যায়।
12. অনেক লোকের হাতে ঘড়ি অথবা আঙ্গুলে আংটি থাকে ফলে উযূর সময় তার নিচের অংশ শুষ্ক থেকে যায়।
13. কিছু লোকের হাতে এক প্রকার পেইন্ট লেগে থাকে যা দ্বারা দেওয়াল রাঙ্গানো হয়। এই প্রকার রং হাতে লেগে থাকলে চামড়ায় পানি পৌছে না, ফলে তার উযূ হয় না।
14. কিছু লোক আছে যারা স্ত্রী সঙ্গম করে কিন্তু বীর্যপাত না হলে নিজে গোসল করে না এবং স্ত্রীকেও গোসল করতেদেয় না। যা মহা ভুল।
15. ফারয গোসলের পর কাপড় পড়ার পূর্বে অনেকের হাত নিজ লজ্জাস্থানে লেগে যায় অথচ তা কিছুই মনে করে না এবং সেই উযূতে সলাত আদায় করে।
16. উযূর প্রত্যেক অঙ্গ বা কিছু অঙ্গ তিনবারের অধিকবার ধৌত করা।
17. যমযমের পানি দ্বারা উযূ না করা এবং এ পানিতে উযূ করতে দ্বিধাবোধ করা । এর পরিবর্তে তায়াম্মুম করা।
18. কিছু মহিলা আছে যারা মাসিক থেকে পবিত্র হওয়ার পর শেষ সময় পর্যন্ত গোসল পিছিয়ে দেয় যা ভুল। মাসিক বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই গোসল করা যরুরী।
19. কিছু লোক আছে যাদের উযূ ভেঙ্গে গেলে মুসাল্লার নিচে হাত মেরে তায়াম্মুম করে জামায়াতে নামায পড়ে, অথচ উযূখানায় পানি মওজুদ থাকে।
— with Asadul Islam Abdullah, Ali Ali, Md Asad and 39 others.
LikeShow More Reactions
Comment
Amirul Islam jene kub kushi holalm thanks
MD Miraz
MD Miraz আপনার কাছে কেউ এধরনের ফতোয়া জানতে চেয়েছে।কাছে গিয়ে প্রশ্ন করলে তা ভিন্ন কথা।সমাজে বিভ্রান্ত ছড়ানো কোন প্রয়োজন নেই।
Mamun Mahafuz
Mamun Mahafuz এখানে কোনটি ভুল আছে? কি বিভ্রান্ত। সঠিক আয়াত একটি জানা থাকলে তা অপকে জানানো দায়িত্ব। তোমার আসলে সমস্যাটি কোথায়?
MD Miraz
MD Miraz সমস্যা হলো উক্ত মাসআলা গুলো অনেক দামি।একারনে সাধারণ ইলমের মতো ফ্রি দিলে দাম হ্রাস পাবে।আশা করি বিষয়টি অনুধাবন করার চেস্টা করবেন।

Thursday, 29 September 2016

ওযুতে ঘাড় মাসাহ করার একটি দলিলে, da,f

ওযুতে ঘাড় মাসাহ করার একটি দলিলে:-

ওযুতে ঘাড় মাসাহ করার একটি দলিলের পর্যালোচনা ।
مَنْ مَسَحَ قَفَاهُ مَعَ رَأْسِهِ وُقِيَ الْغُلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
যে গর্দানসহ মাথা মাসেহ করবে সে কিয়ামতের দিন গলায় বেড়ী পড়ানো থেকে মুক্ত থাকবে ।
হাদীসটি এসেছে কাসিম বিন সালমা এর কিতাব আত তাহারাত ( القاسم بن سلام في كتاب الطهور) এর بَابُ الِاسْتِعَانَةِ بِالْأَصَابِعِ فِي مَسْحِ الْأُذُنَيْنِ وَمَسْحِ الْقَفَا এর ৩৬৮ নং এ । হাদীসটির সনদ -
فَإِنَّ عَلِيَّ بْنَ ثَابِتٍ , وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ حَدَّثَانَا عَنِ الْمَسْعُودِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُوسَى بْنِ طَلْحَةَ
হাদীসের সনদে উপস্থিত আলী বিন সাবিত (عَلِيَّ بْنَ ثَابِتٍ) সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন , তিনি সত্যবাদী তবে তার শিয়া মতালম্বী হওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ রয়েছে । ইমাম যাহাবী তাকে সিকাহ বলেছেন ।
(তাহজীবুল কামাল , রাবী নং ৪০৩৩)
সনদের আরেকজন রাভী আল-মাসঊদী (الْمَسْعُودِيِّ) সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ । ইবনু নুমায়র বলেন তিনি সিকাহ তবে শেষ বয়সে হাদীস বর্ণনায় সংমিশ্রন করেছেন । আহমাদ বিন হাম্বাল বলেন, তিনি সিকাহ তবে বাগদাদে হাদীস বর্ণনায় সংমিশ্রন করেছেন । মুহাম্মাদ বিন সাদ বলেন , তিনি সিকাহ তবে মৃত্যুর পূর্বে হাদীস বর্ণনায় সংমিশ্রন করেছেন । আলী ইবনুল মাদীনী তাকে সিকাহ বলেছেন ।
(তাহজীবুল কামাল , রাবী নং ৩৮৭২)
আর দ্বিতীয় কথা , ইমাম ইবনে হাজার (রহ) নায়লুল আত্তার (نيل الأوطار) এর ১৯৮ নং হাদীসের ব্যাখায় উল্লেখ করেছেন ,
فيحتمل أن يقال هذا ، وإن كان موقوفا فله حكم الرفع ، لأن هذا لا يقال من قبيل الرأي فهو على هذا مرسل انتهى
এ কথাও বলা যেতে পারে যদিও তা মাওকুফ হয় , তবুও মারফু এর মানে । যেহেতু তার দ্বারা বলা যায় না সুতরাং তা এই হিসাবে মুরসাল ।
বোঝা গেল সনদে ২ জন দঈফ রাভীর জন্য হাদীসটি গ্রহণযোগ্য নয় এবং হাদীসটি মুরসালও বটে । মুরসাল হাদীস কিভাবে গ্রহণযোগ্য হয় ?
Sanaulla salafibf