Saturday, 22 August 2015

নামাজ মে হাত কাহা বান্ধে। নামাজে হাত কোথায় বাঁধতে হবে

সুরা আল কাওসার এর আয়াত
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ
অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।
এই আয়াতে দেখা যায় আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কোরবানী করতে বলেছেন।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোরবানী করার সময় কোথায় ছুুরি চালানো হয়?
১. নাভিতে
২. বুকের উপর গলাতে
সহজ উত্তর: ২. বুকের উপর গলাতে।
তো এই আয়াতের তাফসিরে আলী (রা) হতে বণিত আছে:
حماد بن سلمة : ثنا عاصم الجحدري، عن أبيه، عن عقبة بن صهبان قال : إن عليا رضي الله عنه قال في هذه الآية : فصل لربك وانحر، قال : وضع يده اليمنى على وسط يده اليسرى، ثم وضعهما على صدره.
হযরত আলী রা. থেকে করা হয় যে, তিনি বলেছেন, ‘ডান হাত বাম হাতের মাঝে রাখা, অতপর তা রাখা বুকের উপর।’
(সুনানে বায়হাকী ২/৩০; আসলু ছিফাতিস সালাহ, আলবানী পৃ. ২১৭ এছারাও রয়েছে, ইমাম বুখারীর তারিখ আল কাবিরে)
---------------
যারা বলেন, কোরবানী নাভির উপর করা হয় তাদের মুরগি যে দিকে ইচ্ছা যবেহ করুন নো টেনশন।
comments;-

পুরুষ ও মহিলার নামাযের পদ্ধতি একই প্রকার

স্বালাতে মুবাশ্‌শির / আবদুল হামীদ ফাইযী / নারী-পুরুষের নামাযের পদ্ধতি
নারী-পুরুষের নামাযের পদ্ধতি একই[http://www.hadithbd.com/shareqa.php?qa=2872]
পুরুষ ও মহিলার নামাযের পদ্ধতি একই প্রকার। সুতরাং মহিলাও ঐরুপ একই তরীকায় নামায পড়বে, যেরুপ ও যে তরীকায় পুরুষ পড়ে থাকে। কারণ, (নারী-পুরুষ উভয় জাতির) উম্মতকে সম্বোধন করে রসূল (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা সেইরুপ নামায পড়, যেরুপ আমাকে পড়তে দেখেছ।” (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৬৮৩নং) আর উভয়ের নামায পৃথক হওয়ার ব্যাপারে কোন দলীলও নেই।
সুতরাং যে আদেশ শরীয়ত পুরুষদেরকে করেছে, সে আদেশ মহিলাদের জন্যও এবং যে সাধারণ আদেশ মহিলাদেরকে করেছে তাও পুরুষদের ক্ষেত্রে পালনীয় -যদি বিশেষ হওয়ার ব্যাপারে কোন প্রকার দলীল না থাকে। যেমন, “যারা সতী মহিলাদের উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে, অতঃপর চারজন সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদের জন্য শাস্তি হল ৮০ কোড়া---।” (কুরআন মাজীদ ২৪/৪) পরন্তু যদি কেউ কোন সৎ পুরুষকে অনুরুপ অপবাদ দেয়, তবে তার জন্যও ঐ একই শাস্তি প্রযোজ্য।
সুতরাং মহিলারাও তাদের নামাযে পুরুষদের মতই হাত তুলবে, পিঠ লম্বা করে রুকূ করবে, সিজদায় জানু হতে পেট ও পায়ের রলাকে দূরে রেখে পিঠ সোজা করে সিজদাহ করবে। তাশাহ্‌হুদেও সেইরুপ বসবে, যেরুপ পুরুষরা বসে। উম্মে দারদা (রাঃ) তাঁর নামাযে পুরুষের মতই বসতেন। আর তিনি একজন ফকীহ্‌ ছিলেন। (আত্‌-তারীখুস স্বাগীর, বুখারী ৯৫পৃ:, বুখারী, ফাতহুল বারী, ইবনে হাজার ২/৩৫৫) আর মহিলাদের জড়সড় হয়ে সিজদাহ করার ব্যাপারে কোন হাদীস সহীহ নয়। (সিলসিলাহ যায়ীফাহ, আলবানী ২৬৫২ নং) এ জন্যই ইবরাহীম নাখয়ী (রহঃ) বলেন, ‘নামাযে মহিলা ঐরুপই করবে, যেরুপ পুরুষ করে থাকে।’ (ইবনে আবী শাইবা, সিফাতু স্বালাতিন নাবী (সাঃ), আলবানী ১৮৯পৃ:)
পক্ষান্তরে দলীলের ভিত্তিতেই নামাযের কিছু ব্যাপারে মহিলারা পুরুষদের থেকে ভিন্নরুপ আমল করে থাকে। যেমন:-
১। বেগানা পুরুষ আশে-পাশে থাকলে (জেহরী নামাযে) মহিলা সশব্দে কুরআন পড়বে না। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ৩/৩০৪) যেমন সে পূর্ণাঙ্গ পর্দার সাথে নামায পড়বে। তাছাড়া একাকিনী হলেও তার লেবাসে বিভিন্ন পার্থক্য আছে।
২। মহিলা মহিলাদের ইমামতি করলে পুরুষদের মত সামনে না দাঁড়িয়ে কাতারের মাঝে দাঁড়াবে।
৩। ইমামের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মহিলা পুরুষের মত ‘সুবহা-নাল্লাহ্‌’ না বলে হাততালি দেবে।
৪। মহিলা মাথার চুল বেঁধে নামায পড়তে পারে, কিন্তু (লম্বা চুল হলে) পুরুষ তা পারে না।
এ সব ব্যাপারে দলীলসহ্‌ বিস্তারিত আলোচনা যথাস্থানে দ্রষ্টব্য।
অনেক মহিলা আছে, যারা মসজিদে বা বাড়িতে পুরুষদের নামায পড়া না হলে নামায পড়ে না। এটা ভুল। আযান হলে বা নামাযের সময় হলে আওয়াল অক্তে নামায পড়া মহিলারও কর্তব্য। (মুত্বাসা ১৮৮-১৮৯পৃ:)

Friday, 21 August 2015

কাবা ঘরের ইমিমগণ বুকেৰ ওপৰ হাত বাধেন

রাসুল (সঃ) বুকে হাত বেঁধে নামাজ
পড়তেন।
বুকে হাত বাঁধার দলীল সমুহ।
রাসুল (সঃ) হাত নাভীর উপরে অর্থাৎ
বুকের
উপরে হাত বেঁধে নামায পড়তেন।
(বুখারি ১ম খন্ড ১০২ পৃঃ, মুসলিম শরাহ
ইমাম
আন-নববী ১ম খন্ড-১৭৩ পৃঃ, সহিহ
ইবনে খুযাইমা ১ম খন্ড ১২৩ পৃঃ, আবু দাউদ
১ম
খন্ড ১১০ পৃঃ, তিরমিযি ৩৪-৩৫ পৃঃ, ইবনু
মাজাহ ৫৯ পৃঃ মিশকাত ৭৫ পৃঃ,
মুয়াত্তা মুহাম্মদ ১৬০ পৃঃ)
ডান হাত বাম হাতের উপর
রেখে সিনার
উপরে রাখতেন (সহিহ ইবনে খুযাইমা-২০
পৃঃ,
আবু
দাউদ মারাসিল-৬ পৃঃ)
লোকেরা ডান হাত বাম হাতের
যেরার উপর
রাখতে আদিষ্ট হতেন (বুখারি ১০২ পৃঃ),
নামায আদায় করার সময় তোমরা হাত
বাঁধবে বুকের উপর (আবু দাউদ ১ম খন্ড
হাঃ ৭৫৮),
সাহাবী তাউস (রাঃ) বলেন, রাসুল
(সঃ)
সালাতের অবস্থায় ডান হাত বাম
হাতের
উপর
রেখে, অতঃপর মজবুত করে বুকের উপর
ধারণ
করলেন (মারাসিলে আবু দাউদ, তুহফাতুল
আহওয়াযী ৩১৬ পৃঃ),
কামিসাহ ইবনুহ হুলব (রাঃ) তার
পিতা হতে উদ্ধৃতি করে বলেন যে,
আমি রাসুল
(সঃ) কে সালাতের মধ্যে ডান হাত
বামহাতের উপর রেখে হস্তদয় বুকের উপর
ধারণ করতেন
(মুসনাদে আহমাদ, তুহফাতুল আহওয়াযী ১ম
খন্ড ২১৬ পৃঃ),
সিনার উপর হাত রাখার আরো দলিল
দেখুনঃ
(বুলগুল মারাম ২০ পৃঃ, মুসলিম শরাহ ইমাম
আন-নববী ১ম খন্ড-১৭৩ পৃঃ, তোহফা শরাহ
তিরমিযী ১ম খন্ড ২১৫ পৃঃ, মিসখুল
খেতাম ১ম
খন্ড ২১৫ পৃঃ,
হানাফি মাযহাবের প্রসিদ্ধ কিতাব
হিদায়াহ ইউসুফি প্রেসের
ছাপা রাবে সিফাতুস সালাত ১ম
খন্ড, হাশিয়া ৮৬ পৃঃ আছে-
সালাতে নাভীর নীচে হাত বাঁধার
হাদিস
যঈফ এবং তার যঈফ
দুর্বলতা সম্বন্ধে মুহাদ্দীসগণ সকলেই
একমত ।
আরও স্মরনীও যে, আলা সদরিহী বুকের
উপর
হাত বাঁধার অনেক হাদিস
রয়েছে সালাতে বুকের উপর হাত
বাঁধা সম্পর্কে সহীহ হাদীস সমূহ :
(১) সাহল বিন সা’দ (রাঃ) বলেন,
“লোকদেরকে নির্দেশ দেওয়া হত যেন
তারা সালাতে ডান হাত বাম
হাতের
উপর
রাখে ।” (বুখারী, অধ্যায় আজান,
১/১০২পৃষ্ঠা,
আরবী ; বুখারী, হাদীস নং ৭৪০,
মূল হাদীসে বর্ণিত ‘যিরাআ’ শব্দের
অর্থ
কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুলের অগ্রভাগ
পর্যন্ত
দীর্ঘ হাত (আল-মুজামুল ওয়াসীত্ব)।
(২)ওয়ায়িল বিন হুজর(রাঃ) হতে বর্ণিত,
তিনি দেখেছেন, “নবী করীম (সাঃ)
সালাত
শুরুর মুহূর্তে তাঁর দুহাত তোলেন’ অতঃপর
তিনি তাঁর বাম হাতের উপর ডান হাত
রাখেন ।”(মুসলিম, ১/১৭৩পৃষ্ঠা, আরবী ;
মুসলিম, ২য় খন্ড,
হাদীস নং ৮৫১,
(৩)ওয়ায়িল বিন হুজর (রাঃ) বলেন,
“আমি নবী (সাঃ)-এর সাথে সালাত
আদায়
করেছি । তিনি তাঁর বাম হাতের উপর
ডান
হাত স্বীয় বুকের উপর রাখলেন ।” (সহীহ
ইবনু
খুযাইমাহ, হাদীস নং ৪৭৯; আবূদাঊদ,
হাদীস
নং ৭৫৯)
(৪)হুলব আত-তাঈ (রাঃ) বলেন,
“আমি নবী (সাঃ)-কে বাম হাতের
জোড়ের
(কব্জির) উপরে ডান হাতের জোড় স্বীয়
বুকের
উপরে রাখতে দেখেছি ।”(মুসনাদে
আহমাদ ;
তিরমিযী ৫৯পৃষ্ঠা, আরবী ;
তিরমিযী,১ম
খন্ড, হাদীস নং ২৫২)
(৫)ওয়ায়িল বিন হুজর হতে বর্ণিত,
তিনি বলেন,
“আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)
কিভাবে সালাত আদায় করতেন,
তা আমি অবশ্যই দেখব । তাই
আমি তাঁর প্রতি লক্ষ্য করলাম ।
তিনি দাঁড়িয়ে কান পর্যন্ত দু’হাত
তুলে ‘আল্লাহুআকবার’ বললেন । অতঃপর
তাঁর
ডান হাত বাম হাতের পিঠ, কব্জি, ও
প্রকোষ্ঠের
(হাতের রলা) উপর রাখলেন ।”(নাসাঈ,
১/
১৪১পৃষ্ঠা,আরবী; আবূদাঊদ, হা/৭২৭)
আল্লামা নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ)
বলেন, ‘বুকের উপর হাত রাখাটাই সহীহ
হাদীস দ্বারা সাব্যস্ত। এছাড়া অন্য
কোথাও রাখার হাদীস হয় দুর্বল, না হয়
ভিত্তিহীন ।’ (সিফাতু
সালাতিন নবী(সাঃ),
বাংলা অনুবাদ-
আকরামুজ্জামান, ৭১পৃষ্ঠা, ফুটনোট)

৩য় পর্বঃ রাফউল ইয়াদাঈন সম্পর্কেঃ

♥৩য় পর্বঃ রাফউল ইয়াদাঈন সম্পর্কেঃ
  আবূ কিলাবাহ রাঃ হতে বর্ণিত। তিনি মালিক ইবনু হুওয়ায়রিস রাঃ কে দেখেছেন, তিনি যখন সালাত আদায় করতেন তখন তাকবীর বলতেন এবং তার দু হাত উঠাতেন। আর যখন রুকু করার ইচ্ছা করতেন তখনও তার উভয় হাত উঠাতেন, আবার যখন রুকু হতে মাথা উঠাতেন তখনও তার উভয় হাত উঠাতেন এবং তিনি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাঃ এরূপ করেছেন।
♥দলিলঃ সহীহ বুখারী হাঃ ৭৩৭।।
♥সহীহ মুসলিম ৪/৯ হাঃ ৩৯১।।
♥আহমাদ হাঃ ২০৫৫৮।।
বিঃদ্রঃ প্রিয় দ্বিনী ভাইয়েরা হানাফি ভাইদের মাঝে এ বিষয় নিয়ে দ্বিমত।। দেখুন, কিছু সংখ্যক হানাফী আলেম সহ বেশিরভাগ আলিম হাত উঠানোর পক্ষে মত পোষণ করেন।।
♥রফউল ইয়াদাঈন ও খোলাফাইর রাশিদীন এবং আশরা মুবাশ্শারীনঃ ইমাম যায়লাঈ হানাফি রহঃ আল্লামা আব্দুল হাই লক্ষ্নৌবী হানাফী রহঃ আল্লামা আনোয়ার শাহ কশ্মিরী হানাফী রহঃ এবং হাফিয ইবনু হাজার আসকালানী রহঃ সবাই ইমাম হাকেম রহঃ থেকে বর্ণনা করেছেনঃ ইমাম হাকিম রঃ বলেছেন, রফউল ইয়াদাঈন ব্যতীত অন্য কোন সুন্নাতের বর্ণনার ক্ষেত্রে খোলাফায়ে রাশেদীন, আশরা মোবাশ্শারা এবং বড় বড় সাহাবী গন একত্রিত হয়েছেন বলে আমার জানা নেই।
♥নাসবুর রায়াহ ১/৪১৮ পৃঃ
♥তালখীছ আলহাবীব ১/৮২ চলবে...

Tuesday, 18 August 2015

বুকের উপর হাত বাঁধার ছহীহ হাদীছ সমূহ


courtesy-Mukib Rahman
বুকের উপর হাত বাঁধার ছহীহ হাদীছ সমূহ :
“সঠিক ইসলামকে জানুন” আমল করুন এবং অন্যকে শেয়ার করে পৌঁছে দিন।
রাসূল (ছাঃ) সর্বদা বুকের উপর হাত বেঁধে ছালাত আদায় করতেন। উক্ত মর্মে একাধিক ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। নিম্নে কয়েকটি পেশ করা হল :
(1) عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ كَانَ النَّاسُ يُؤْمَرُوْنَ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ الْيَدَ الْيُمْنَى عَلَى ذِرَاعِهِ الْيُسْرَى فِي الصَّلَاةِ قَالَ أَبُوْ حَازِمٍ لَا أَعْلَمُهُ إِلَّا يَنْمِىْ ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ .
(১) সাহল বিন সা‘দ (রাঃ) বলেন, লোকদেরকে নির্দেশ দেওয়া হত, মুছল্লী যেন ছালাতের মধ্যে তার ডান হাত বাম হাতের বাহুর উপর রাখে। আবু হাযেম বলেন, এটা রাসূল (ছাঃ)-এর দিকেই ইঙ্গিত করা হত বলে আমি জানি।[1]
ইমাম বুখারী (রহঃ) অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন, بَابُ وَضْعِ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى ‘ছালাতের মধ্যে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা অনুচ্ছেদ’।[2] উল্লেখ্য যে, ইমাম নববী (রহঃ) নিম্নোক্ত মর্মে অনুচ্ছেদ রচনা করেছেন- ‘তাকবীরে তাহরীমার পর ডান হাত বাম হাতের উপর স্থাপন করে বুকের নীচে নাভীর উপরে রাখা’।[3] অথচ হাদীছে ‘বুকের নীচে নাভীর উপরে’ কথাটুকু নেই। মূলতঃ পুরো ডান হাতের উপর বাম হাত রাখলে বুকের উপরই চলে যায়। যেমন উক্ত হাদীছ উল্লেখ করে শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন,
وَمِثْلُهُ حَدِيْثُ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ كَانَ يَضَعُ الْيُمْنىَ عَلَى ظَهْرِ كَفِّهِ الْيُسْرَى وَالرُّسْغِ وَ السَّاعِدِ رَوَاهُ أَبُوْدَاؤُدَ وَ النَّسَائِىُّ بِسَنَدِ صَحِيْحٍ وَ هَذِهِ الْكَيْفِيّةُ نَسْتَلْزِمُ أَنْ يَّكُوْنَ الْوَضْعُ عَلَى الصَّدْرِ إِذَا أَنْتَ تَأَمَّلْتَ ذَلِكَ وَعَمِلْتَ بِهَا فَجَرِّبْ إِنْ شِئْتَ وَ مِمَّا يَنْبَغِىْ أَنْ يَّعْلَمَ أَنَّهُ لَمْ يَصِحُّ عَنْهُ الْوَضْعُ عَلَى غَيْرِ الصَّدْرِ كَحَدِيْثِ وَ السُّنَّةُ وَضْعُ الْكَفِّ فِى الصَّلاَةِ تَحْتَ السُّرَّةِ.
‘অনুরূপ ওয়ায়েল বিন হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল (ছাঃ) ডান হাত বাম হাতের পাতা, হাত ও বাহুর উপর রাখতেন। যা ছহীহ সনদে আবুদাঊদ ও নাসাঈ বর্ণনা করেছেন। এই পদ্ধতিই আমাদের জন্য অপরিহার্য করে যে হাত রাখতে হবে বুকের উপর। যদি আপনি এটা বুঝেন এবং এর প্রতি আমল করেন। অতএব আপনি চাইলে যাচাই করতে পারেন। আর এ সম্পর্কে যা জানা উচিৎ তা হল, বুকের উপর ছাড়া অন্যত্র হাত বাঁধার বিষয়টি রাসূল (ছাঃ) থেকে ছহীহ হিসাবে সাব্যস্ত হয়নি। যেমন একটি হাদীছ, ‘সুন্নাত হল ছালাতের মধ্যে নাভীর নীচে হাতের পাতা রাখা’ (এই বর্ণনা সঠিক নয়)।[4]
বিশেষ জ্ঞাতব্য : সুধী পাঠক! ছহীহ বুখারীতে বর্ণিত উক্ত হাদীছের অনুবাদ করতে গিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন অনুবাদে ‘ডান হাত বাম হাতের কবজির উপরে’ মর্মে অনুবাদ করা হয়েছে।[5] আধুনিক প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত বুখারীতেও একই অনুবাদ করা হয়েছে।[6] অথচ ইসলমিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত একই খন্ডের মধ্যে অন্যত্র এর অর্থ করা হয়েছে ‘বাহু’।[7] কিন্তু ‘বাহু’ আর ‘কব্জি’ কি এক বস্ত্ত? সব হাদীছ গ্রন্থে ‘যিরা’ অর্থ ‘বাহু’ করা হয়েছে। যেমন রাসূল (ছাঃ) ওযূ করার সময় মুখমন্ডল ধৌত করার পর বাহুর উপর পানি ঢালতেন।[8] এছাড়া আরবী কোন অভিধানে ‘যিরা’ শব্দের অর্থ ‘কব্জি’ করা হয়নি। অতএব কোন সন্দেহ নেই যে, নাভীর নীচে হাত বাঁধার ত্রুটিপূর্ণ আমলকে প্রমাণ করার জন্যই উক্ত কারচুপি করা হয়েছে। অথচ অন্যত্র ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল (ছাঃ) তাঁর ডান হাতটি বাম হাতের পাতা, কব্জি ও বাহুর উপর রাখতেন, যা পূর্বে আলবানীর আলোচনায় পেশ করা হয়েছে।
(2) عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ لَأَنْظُرَنَّ إِلَى صَلاَةِ رَسُوْلِ اللهِ كَيْفَ يُصَلِّى فَنَظَرْتُ إِلَيْهِ فَقَامَ فَكَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى حَاذَتَا بِأُذُنَيْهِ ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى كَفِّهِ الْيُسْرَى وَالرُّسْغِ وَالسَّاعِدِ فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ رَفَعَ يَدَيْهِ مِثْلَهَا ...
(২) ওয়ায়েল ইবনু হুজর (রাঃ) বলেন, আমি অবশ্যই রাসূল (ছাঃ)-এর ছালাতের দিকে লক্ষ্য করতাম, তিনি কিভাবে ছালাত আদায় করেন। আমি তাঁর দিকে লক্ষ্য করতাম যে, তিনি ছালাতে দাঁড়াতেন অতঃপর তাকবীর দিতেন এবং কান বরাবর দুই হাত উত্তোলন করতেন। তারপর তাঁর ডান হাত বাম হাতের পাতা, কব্জি ও বাহুর উপর রাখতেন। অতঃপর যখন তিনি রুকূ করার ইচ্ছা করতেন তখন অনুরূপ দুই হাত উত্তোলন করতেন...।[9]
উল্লেখ্য যে, ‘মাযহাব বিরোধীদের স্বরূপ সন্ধানে’ বইটিতে উক্ত হাদীছটির পূর্ণ অর্থ করা হয়নি; বরং অর্থ গোপন করা হয়েছে।[10] তাছাড়া ভারতীয় ছাপা আবুদাঊদে অর্থ পরিবর্তন করার উদ্দেশ্যে দুইটি শব্দে ভুল হরকত দেয়া হয়েছে।[11]
সুধী পাঠক! উক্ত হাদীছ প্রমাণ করে যে, রাসূল (ছাঃ) ডান হাতটি পুরো বাম হাতের উপর রাখতেন। এমতাবস্থায় হাত নাভীর নীচে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। এইভাবে হাত রেখে নাভীর নীচে স্থাপন করতে চাইলে মাজা বাঁকা করে নাভীর নীচে হাত নিয়ে যেতে হবে, যা উচিৎ নয়। আমরা এবার দেখব রাসূল (ছাঃ) তাঁর দুই হাত কোথায় স্থাপন করতেন।
(3) عَنْ طَاوُسٍ قَالَ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ يَضَعُ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى يَدِهِ الْيُسْرَى ثُمَّ يَشُدُّ بَيْنَهُمَا عَلَى صَدْرِهِ وَهُوَ فِي الصَّلَاةِ.
(৩) ত্বাঊস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) ছালাতের মধ্যে তাঁর ডান হাত বাম হাতের উপর রাখতেন এবং উভয় হাত বুকের উপর শক্ত করে ধরে রাখতেন।[12]
যরূরী জ্ঞাতব্য : ভারতীয় ছাপা আবুদাঊদে হাত বাঁধা সংক্রান্ত একটি হাদীছও উল্লেখিত হয়নি। এর কারণ সম্পূর্ণ অজানা। তবে ইমাম আবুদাঊদ নাভীর নীচে হাত বাঁধা সম্পর্কে বর্ণিত বর্ণনাগুলোকে যঈফ বলেছেন। আর বুকের উপর হাত বাঁধার হাদীছটিকে ছহীহ হিসাবে পেশ করতে চেয়েছেন। কারণ উক্ত হাদীছ সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেননি। সে জন্যই হয়ত কোন হাদীছই উল্লেখ করা হয়নি।[13]
উল্লেখ্য যে, উক্ত হাদীছকে অনেকে নিজস্ব গোঁড়ামী ও ব্যক্তিত্বের বলে যঈফ বলে প্রত্যাখ্যান করতে চান। মুহাদ্দিছগণের মন্তব্যের তোয়াক্কা করেন না। নিজেকে শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিছ বলে পরিচয় দিতে চান। অথচ আলবানী উক্ত হাদীছ উল্লেখ করে বলেন, رَوَاهُ أَبُوْ دَاوُدَ بِإِسْنَادٍ صَحِيْحٍ عَنْهُ ‘আবুদাঊদ ত্বাঊস থেকে এই হাদীছকে ছহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন’। অতঃপর তিনি অন্যের দাবী খন্ডন করে বলেন,
وَهُوَ وَإِنْ كَانَ مُرْسَلاً فَهُوَ حُجَّةٌ عِنْدَ جَمِيْعِ الْعُلَمَاءِ عَلَى اخْتِلاَفِ مَذَاهِبِهِمْ فِى الْمُرْسَلِ لِأَنَّهُ صَحِيْحُ السَّنَدِ إِلَى الْمُرْسَلِ وَقَدْ جاَءَ مَوْصُوْلاً مِنْ طُرُقٍ كَمَا أَشَرْنَا إِلَيْهِ آنِفًا فَكاَنَ حُجَّةً عِنْدَ الْجَمِيْعِ.
‘ত্বাউস যদিও মুরসাল রাবী তবুও তিনি সকল মুহাদ্দিছের নিকট দলীলযোগ্য। কারণ তিনি মুরসাল হলেও সনদের জন্য ছহীহ। তাছাড়াও এই হাদীছ মারফূ‘ হিসাবে অনেকগুলো সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। যেমনটি আমি এই মাত্রই উল্লেখ করলাম। অতএব তা সকল মুহাদ্দিছের নিকট দলীলযোগ্য।[14] এছাড়াও এই হাদীছকে আলবানী ছহীহ আবুদাঊদে উল্লেখ করেছেন।[15]
(৪) عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ رضي الله عنه قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ اَلنَّبِيِّ فَوَضَعَ يَدَهُ اَلْيُمْنَى عَلَى يَدِهِ اَلْيُسْرَى عَلَى صَدْرِهِ.
(৪) ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে ছালাত আদায় করেছি। তিনি তাঁর ডান হাত বাম হাতের উপর স্থাপন করে বুকের উপর রাখতেন।[16] উক্ত হাদীছের টীকায় শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন,
إِسْنَادُهُ ضَعِيْفٌ لِأَنَّ مُؤَمَّلاً وَهُوَ ابْنُ إِسْمَاعِيْلَ سَيِّئُ الْحِفْظِ لَكِنَّ الْحَدِيْثَ صَحِيْحٌ جَاءَ مِنْ طُرُقٍ أُخْرَى بِمَعْنَاهُ وَفِى الْوَضْعِ عَلَى الصَّدْرِ أَحَادِيْثُ تَشْهَدُ لَهُ.
‘এর সনদ যঈফ। কারণ তা ত্রুটিপূর্ণ। আর তিনি হলেন ইবনু ইসমাঈ। তার স্মৃতি শক্তি দুর্বল। তবে হাদীছ ছহীহ। এই হাদীছ অন্য সূত্রে একই অর্থে বর্ণিত হয়েছে। বুকের উপর হাত রাখার আরো যে হাদীছগুলো আছে, সেগুলো এর জন্য সাক্ষ্য প্রদান করে’। ইমাম শাওকানী উক্ত হাদীছ সম্পর্কে বলেন, وَ لاَشَيْءَ فِى اْلبَابِ أَصَحُّ مِنْ حَدِيْثِ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ الْمَذْكُوْرِ فِىْ صَحِيْحِ ابْنِ خُزَيْمَةَ ‘হাত বাঁধা সম্পর্কে ছহীহ ইবনু খুযায়মাতে ওয়ায়েল বিন হুজর (রাঃ) বর্ণিত হাদীছের চেয়ে বিশুদ্ধ কোন হাদীছ আর নেই’।[17] তাছাড়া একই রাবী থেকে অন্যত্র ছহীহ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে, যা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
(5) عَنْ قَبِيْصَةَ بْنِ هُلْبٍ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِىَّ يَنْصَرِفُ عَنْ يَمِيْنِهِ وَعَنْ يَسَارِهِ وَرَأَيْتُهُ قَالَ يَضَعُ هَذِهِ عَلَى صَدْرِهِ وَضَعَ يَحْيَى الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى فَوْقَ الْمِفْصَلِ.
(৫) ক্বাবীছাহ বিন হুলব তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তার পিতা বলেছেন, আমি রাসূল (ছাঃ)-কে ডান ও বামে ফিরতে দেখেছি এবং হাতকে বুকের উপর রাখার কথা বলতে শুনেছি। অতঃপর ইয়াহইয়া ডান হাত বাম হাতের কব্জির উপর রাখেন।[18]
উল্লেখ্য যে, কেউ কেউ উক্ত হাদীছকে ত্রুটিপূর্ণ বলেছেন। কিন্তু তাদের দাবী সঠিক নয়। কারণ রাবী ক্বাবীছার ব্যাপারে কথা থাকলেও এর পক্ষে অনেক সাক্ষী রয়েছে। ফলে তা হাসান।[19]
(6) عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ الله عَنْهُمَا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ الله إِنَّا مَعْشَرَ الأَنْبِيَاءِ أُمِرْنَا أَنْ نُعَجِّلَ إِفْطَارَنَا وَأَنْ نُؤَخِّرَ سَحُوْرَنَا وَنَضَعَ أَيْمَانَنَا عَلَى شَمَائِلِنَا فِي الصَّلاَةِ.
(৬) ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, নিশ্চয় আমরা নবীদের দল। আমাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে- আমরা যেন দ্রুত ইফতার করি এবং দেরিতে সাহারী করি। আর ছালাতের মধ্যে আমাদের ডান হাত বাম হাতের উপর যেন রাখি।[20]
[1]. ছহীহ বুখারী হা/৭৪০, ১/১০২ পৃঃ, (ইফাবা হা/৭০৪, ২য় খন্ড, পৃঃ ১০২)। ‘আযান’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৮৭ بَابُ وَضْعِ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى। [2]. ছহীহ বুখারী ১/১০২ পৃঃ। [3]. ছহীহ মুসলিম ১/১৭৩ পৃঃ, হা/৯২৩-এর অনুচ্ছেদ-১৫, ‘ছালাত’ অধ্যায়- باَبُ وَضْعِ يَدِهِ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى بَعْدَ تَكْبِيْرَةِ الإِحْرَامِ تَحْتَ صَدْرِهِ فَوْقَ سُرَّتِهِ وَوَضْعِهِمَا فِى السُّجُوْدِ عَلَى الأَرْضِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ। [4]. মিশকাত হা/৭৯৮ -এর টীকা দ্রঃ, ১/২৪৯ পৃঃ। [5]. বুখারী শরীফ (ঢাকা : ইসলামিক ফাউন্ডেশন, নবম সংস্করণ, জানুয়ারী ২০১২), ২য় খন্ড, পৃঃ ১০২, হা/৭০৪। [6]. সহীহ আল-বুখারী (ঢাকা : আধুনিক প্রকাশনী, বাংলা বাজার, জুন ১৯৯৭), ১ম খন্ড, পৃঃ ৩২২, হা/৬৯৬। [7]. বুখারী শরীফ ২য় খন্ড, পৃঃ ৯, হা/৫০৭; ৭ম খন্ড, পৃঃ ২৩১, হা/৪০৭৬; ছহীহ বুখারী হা/৫৩২, ১/৭৬ পৃঃ ও হা/৪৪২১। [8]. ছহীহ মুসলিম হা/১৫৯৭, ‘মসজিদ’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৫৬, উল্লেখ্য যে, ভারতীয় ছাপায় হাদীছটি নেই, ১/২৪০-২৪১; মিশকাত হা/৩৯২২; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৩৭৪৬, ৮/২২ পৃঃ; আবাদাঊদ হা/১৩৫, ১/১৮ পৃঃ; মুসনাদে আহমাদ হা/১০০৮ -ثُمَّ قَالَ لَهُ صُبَّ فَصَبَّ عَلَيْهِ فَغَسَلَ كَفَّهُ ثَلاَثاً وَأَدْخَلَ كَفَّهُ الْيُمْنَى فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ ثَلاَثاً ثُمَّ أَدْخَلَ كَفَّيْهِ فَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاَثاً ثُمَّ أَدْخَلَ كَفَّهُ الْيُمْنَى فَغَسَلَ ذِرَاعَهُ الأَيْمَنَ ثَلاَثاً ثُمَّ غَسَلَ ذِرَاعَهُ الأَيْسَرَ ثَلاَثاً فَقَالَ هَذَا وُضُوْءُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ । [9]. নাসাঈ হা/৮৮৯, ১/১০২ পৃঃ; আবুদাঊদ হা/৭২৭, পৃঃ ১০৫; আহমাদ হা/১৮৮৯০; ছহীহ ইবনে খুযায়মাহ হা/৪৮০; ইবনু হিববান হা/১৮৬০, সনদ ছহীহ। [10]. ঐ, পৃঃ ২৯০। [11]. আবুদাঊদ, পৃঃ ১০৫। [12]. আবুদাঊদ হা/৭৫৯, সনদ ছহীহ। [13]. আবুদাঊদ, পৃঃ ১২২। [14]. ইরওয়াউল গালীল ২/৭১ পৃঃ। [15]. ছহীহ আবুদাঊদ হা/৭৫৯। [16]. ছহীহ ইবনে খুযায়মাহ হা/৪৭৯, ১/২৪৩ পৃঃ; বলূগুল মারাম হা/২৭৫। [17]. নায়লুল আওত্বার ৩/২৫ পৃঃ। [18]. আহমাদ হা/২২০১৭; সনদ হাসান। [19]. আলবানী, আহকামুল জানাইয, পৃঃ ১১৮ - فمثله حديثه حسن في الشواهد ولذلك قال الترمذي بعد أن خرج له من هذا الحديث أخذ الشمال باليمين حديث حسن فهذه ثلاثة أحاديث في أن السنة الوضع على الصدر ولا يشك من وقف على مجموعها في أنها صالحة للاستدلال على ذلك.। [20]. ইবনু হিববান হা/১৭৬৭; সনদ ছহীহ, ছিফাতু ছালাতিন নাবী, পৃঃ ৮৭; ইবনু ক্বাইয়িম, তাহযীব সুনানে আবী দাঊদ ১/১৩০ -

Monday, 17 August 2015

sgis.knowledge.blogspot.com: সালাতের নিয়ত???

sgis.knowledge.blogspot.com: সালাতের নিয়ত???: পিস ইন ইসলাম আমি নিয়ত করিতেছি যে, এই ইমামের পিছে কিবলা মুখি হইয়া জোহরের চার রাকাত ফরজ নামাজ আল্লাহর ওয়াস্তে শুরু করিলাম- আল্ল...

sgis.knowledge.blogspot.com: Importance of Time

sgis.knowledge.blogspot.com: Importance of Time: Importance of Time     ...