Sunday, 11 October 2015

বিতরের_সালাত video

2]-"সালাতে দাঁড়ানোর নিয়ম"

Hifzur Rahman shared ইসলামের পাতা's photo.

"সালাতে দাঁড়ানোর নিয়ম"
'জামা'আতে দাঁড়ানোর সময় পার্শ্ববর্তী মুসল্লীর কাঁধের সাথে পা মিলিয়ে কাতার সোজা করে কেবলামুখী হয়ে দাঁড়াবে।
''নু'মান ইবনু বাশীর (রাঃ) বলেন, রসুল (সাঃ) সমবেত লোকদের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে তিনবার বললেন, 'তোমরা তোমাদের কাতার সমুহ সোজা কর। আল্লাহর শপথ! অবশ্যই তোমরা তোমাদের কাতারসমুহ সোজা করে দাঁড়াও। অন্যথায়, অাল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতাৈনক্য সৃষ্টি করে দিবেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর লোকদেরকে দেখলাম যে, তারা তার সঙ্গীর কাঁধের সাথে কাঁধ, হাঁটুর সঙ্গে হাঁটু এবং পায়ের গোড়ালির সাথে গোড়ালি মিলিয়ে দাঁড়ালেন। (আবু দাউদ, মাপ্র. হা/৬৬২, সহীহ ইবনে খুয়াইমাহ, মাশা. হা/১৬০, সহীহ ইবনু হিব্বান, মাশা ৮/১৭ পৃ. মুসনাদে আহমাদ, মাশা. হা/১৮৪৩০, সহীহ তাহক্বীক আলবানী)
"আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, রসুল (সাঃ) (যখন এ কথা) বলতেন যে, তোমরা তোমাদের কাতার সোজা করে নাও। কেননা আমি আমার পিছন হতেও তোমাদের দেখতে পাই। (আনাস (রাঃ) বলেন) তখন আমাদের প্রত্যেকেই তার সাথীর কাঁধের সাথে কাঁধ এবং পায়ের সাথে পা মিলাত।(বুখারী তাও. হা/৭২৫, আপ্র. হা/৬৮১, ইঃফা, হা/৬৮৯, আওনুল ম'বুদ, মাশা.৭/৩৩৮ পৃ.)
"তোমরা কাতারসমুহ সোজা করে নাও। পরস্পর কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াও এবং উভয়ের মাঝের ফাঁক বন্দ কর। শয়তানের জন্য কোন জায়গা ফাঁকা রাখবেনা। আর যে ব্যক্তি কাতার মিলাবে, আল্লাহ তাকে তার রহমতের অন্তর্ভুক্ত করবেন। (অপর পক্ষে) যে ব্যক্তি কাতার ভঙ্গ করবে, আল্লাহও তাকে তাঁর রহমত হতে বঞ্চিত করবেন। (আবু দাউদ, মাপ্র, হা/৬৬৬, মুসনাদে আহমাদ, মাশা, হা/৫৭২৪, মেশকাত, হাএ, হা/১১০২)
"উরওয়া ইবনে যুবায়ের (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন-রসুল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কাতারের ফাঁক বন্ধ করে দাঁড়াবে, এআমলের বিনিময়ে আল্লাহ তা'আলা তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিবেন এবং তারর জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করবেন। (সিলসিলা সহীহা, মাশা, হা/১৮৯২, মুসান্নাফে ইবনু আবী শয়বাহ, মাশা, হা/৩৮২৪,)
‪#‎আরো‬ বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন:-
বুখারী, তাও, হা/৭১৭,৭১৮, ৭২৩, ৭২৫, ইঃফা, হা/৬৮২, ৬৮৩, ৬৮৯, মুসলিম, হাএ হা/৮৫৮,৮৬১,৮৬২,৮৬৩, ইঃফা হা/ ৮৫৪,৮৫৭, ৮৫৮, ৮৫৯, আবু দাউদ মাপ্র, হা/৬৬১, ৬৬২, ৬৬৩, ৬৬৪, ৬৬৭, ৬৬৮, নাসায়ী, মাশা, হা/৮০৯,৮১০, তিরমিজী, মাপ্র, হা/২২৭, সহীহ ইবনে মাজাহ, মাশা, হা/৮১৩, মেশকাত, হাএ, হা/১০৮৬, ১০৮৭, ১০৯১,।

Friday, 9 October 2015

ফতোওয়া সালাত: নামায সম্পর্কে অতি গুরুত্বপূর্ণ ১৭০টি প্রশ্নোত্তর

LOG-ON:-book

http://preachingauthenticislaminbangla.blogspot.in/2014/01/blog-post_27.html

 


সহি দুয়া কুনুত-"আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তাইনুকা. . . . . "এইটো জয়ীফ দোৱা কুনুত



Aysha Akhter > দৈনন্দিন দুয়া ও জিকির-Aysha Akhter
আসসালামুআলাইকুম।
"সহি দুয়া কুনুত "
হাসান বিন আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বিতর নামাযে পাঠ করার জন্য নিম্ন লিখিত দুআটি শিখিয়েছেনঃ
اللَّهُمَّ اهْدِنِي فِيمَنْ هَدَيْتَ وَعَافِنِي فِيمَنْ عَافَيْتَ وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ وَقِنِي شَرَّ مَا قَضَيْتَ فَإِنَّكَ تَقْضِي وَلَا يُقْضَى عَلَيْكَ وَإِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْت
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মাহ্‌দিনি ফীমান হাদায়িত
ওয়া আ,ফিনী ফীমান আ,ফাইয়িত,
ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইয়িত
ওয়া বা,রিক লী ফীমা আ’ত্বায়িত,
ওয়া ক্বিনী শার্‌রা মা ক্বাদ্বোয়িত,
ফা ইন্নাকা তাকদ্বী ওয়ালা য়্যুকদ্বো আ,লাইক,
ওয়া ইন্নাহু লা য়্যাযিল্লু মান ওয়ালায়িত,
ওয়ালা ইয়্যা্য্বিয্‌যু মান আদায়ীত,
তাবারাকতা রাব্বানা ওয়া তাআলায়ীতা।
অর্থঃ হে আল্লাহ্‌! আমাকে সঠিক পথ দেখিয়ে তাদের অন্তর্ভূক্ত কর যাদের তুমি হেদায়াত করেছ, আমাকে নিরাপদে রেখে তাদের মধ্যে শামিল কর, যাদের তুমি নিরাপদ রেখেছ। তুমি আমার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করে তাদের মধ্যে শামিল কর যাদের তুমি অভিভাবক হয়েছ। তুমি আমাকে যা দান করেছ তাতে বরকত দাও। তুমি আমাকে সেই অনিষ্ট থেকে রক্ষা কর যা তুমি নির্ধারণ করেছ, কারণ তুমি ফায়সালাকারী এবং তোমার উপর কারো ফায়সালা কার্যকর হয় না। তুমি যার সাথে মিত্রতা পোষণ কর তাকে কেউ লাঞ্ছিত করতে পারে না। আর যার সাথে শত্রুতা পোষণ কর, সে কখনো সম্মানিত হতে পারে না। হে আমাদের রব! তুমি খুবই বরকতময়, সুউচ্চ ও সুমহান।
[তিরমিযী, অধ্যায়ঃ বিতর নামায, অনুচ্ছেদঃ বিতরে কুনূতের বিবরণ হা/৪২৬। নাসাঈ, অধ্যায়ঃ কিয়ামুল্লায়ল ও দিনের নফল নামায, অনুচ্ছেদঃ বিতরের দু'আ হা/১৭২৫। আবু দাঊদ, অধ্যায়ঃ বিতর নামায, অনুচ্ছেদঃ বিতরে কুনূতের বিবরণ, হা/১২১৪। ইবনু মাজাহ, অধ্যায়ঃ নামায প্রতিষ্ঠা করা ও তাতে সুন্নাত, অনুচ্ছেদঃ বিতরে কুনূতের বিবরণ, হা/১১৬৮। শায়খ আলবানী হাদীছটিকে ছহীহ বলেছেন, দ্রঃ ইরউয়াউল গালীল, হা/৪৪৯। মেশকাত- আলবানী ১/৩৯৮পৃঃ হা/ ১২৭৩।]
[[N.B:-
Juber Rahman"আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তাইনুকা. . . . . "এইটো জয়ীফ দোৱা কুনুত । জয়ীফ হাদীছ গ্ৰহণযোগ্য নহয় । গতিকে সকলোকে ওপৰত দিয়া "আল্লাহুম্মাহ দ্বীনি . . . . " দোৱা কুনুতটো মুখস্থ কৰিবলৈ অনুৰোধ জনালোঁ ।]]

Friday, 2 October 2015

sahih woozu


আসসালামু আলাইকুম
অযু করার পূর্ণ নিয়ম চিত্র সহ!!
অযু কি?
অযুর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা।
আর শরীয়াতের পরিভাষায় পরিষ্কার পানি দ্বারা এক বিশেষ পদ্ধতিতে মুখমন্ডল,
হাত ও পা ধৌত করা এবং মাথা মাসেহ্ করাকে অযু বলে।
পবিত্র কুরআনে সুরা মায়েদাতে আল্লাহ্ তায়ালা বলেন,,,,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ
অর্থ : “হে মুমিনগণ! যখন তোমরা সালাতের জন্য প্রস্তুত হবে,
তখন তোমরা তোমাদের মুখ মন্ডল ও দুই হাত কনুই সহ ধৌত করবে,
এবং তোমাদের মাথা মাসেহ করবে, আর দুই পা গোড়ালীসহ ধৌত করবে।”
[সূরা মায়িদাহঃ আয়াত-৬]
সুতরাং ওযুর গুরুত্ব অনেক।
এই লেখাটাতে আমি চেষ্টা করব আপানাদের ওযুর সহীহ পদ্ধতি সম্পর্কে (ছবি সহ) পরিষ্কার ধারণা দিতে।
ওযুর ফরয চারটি।
১. মুখ মন্ডল ধৌত করা।
২. দুই হাত কনুই সহ ধৌত করা।
৩. মাথার চার ভাগের এক ভাগ মাসেহ করা এবং
৪. দুই পা টাখনু সহ ধৌত করা।
এছাড়াও আমরা যে মিসওয়াক করি, কব্জি পর্যন্ত হাত ধুই,গড়গড়া করি বা নাকে পানি দেই ইত্যাদি করি, এগুলো সুন্নত।
তাই পরিপূর্ণ ওযু করতে গেলে সময়ের এবং পানির অভাব না থাকলে, অবশ্যই এগুলোও পালন করতে হবে এবং তিনবার করে।
চলুন যাওয়া যাক ওযুর পদ্ধতিতে-
১. বিসমিল্লাহ সহকারে অযুর নিয়ত করুন।
২. দুই হাতের কবজি পর্যন্ত ধৌত করতে হবে। প্রথমে ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাত দিয়ে ডান হাতের কবজি পর্যন্ত তিনবার এবং
এরপর ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কবজি পর্যন্ত তিনবার ধৌত করতে হবে।
৩. ডান হাতে পানি নিয়ে তা মুখে দিয়ে ভাল্ মত কুলি করতে হবে। এভাবে তিনবার, যেন কোন প্রকার খাদ্যকণা মুখের ভিতর না থাকে।
[রোজা থাকা অবস্থায়ও এটাই করতে হবে, তবে অনেক হুঁশিয়ার থাকতে হবে যেন পানি পেটে না যায়]
৪. ডান হাতে পানি নিয়ে নাকে পানি দিয়ে বাম হাতের বৃদ্ধাংগুলি,আর কনিষ্ঠাংগুলি দ্বারা নাকের ভিতর পরিষ্কার করতে হবে।
এমনভাবে পানি প্রবেশ করাতে হবে যেন নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছায়।
নাকের ভিতর কিছু থাকলে নাক ঝাড়তে হবে। এভাবে তিনবার। প্রতিবারই পরিষ্কার পানি দিতে হবে নাকে।
৫. এবারে মুখমন্ডল অর্থাৎ কপালের উপরে যেখান থেকে স্বাভাবিকভাবে মাথার চুল গজায় সেখান থেকে নিচের থুতনির নীচ পর্যন্ত এবং
এক কানের লতি থেকে আরেক কানের লতি পর্যন্ত মধ্যবর্তী স্থান, পানি দিয়ে তিনবার ধৌত করতে হবে। দাঁড়ি থাকলে তা খিলাল করতে হবে। যেন দাঁড়ি পরিষ্কার হয় এবং সম্ভব হলে দাঁড়ির গোড়ায় পানি পৌঁছায় (পাতলা দাঁড়ির ক্ষেত্রে). গোঁফের খেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এভাবে তিনবার করতে হবে।
৬. এবারে বাম হাত দিয়ে পানি দ্বারা ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ভালভাবে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে।
তারপর একি ভাবে ডান হাত দিয়ে বাম হাতও পরিষ্কার করতে হবে। কারো হাতে আংটি থাকলে দেখতে হবে আংটির নিচেও যেন পানি প্রবেশ করে। নখেও যেন কোন ময়লা না থাকে।
৭. মাথা মাসেহ করাটা একটু খেয়াল করে করতে হবে। উপরের ছবির মত করে বৃদ্ধাংগুলি আর শাহাদাত আংগুলি
আলাদা রেখে দুই হাত দিয়ে কপালে চুল শুরু হবার জায়গা থেকে পিছনে মাথার এক-চতুর্থাংশ মাসেহ করতে হবে।
তারপর একই ভাবে হাত উল্টিয়ে মাথার তিন-চতুর্থাংশ পিছন থেকে সামনে মাসেহ করতে হবে। এবারে শাহাদাত আংগুলি দ্বারা
কানের ভিতরের অংশ আর বৃদ্ধাংগুলি দ্বারা কানের বাইরের অংশ পরিষ্কার করতে হবে। এরপর হাতের পিছনের অংশ দিয়ে ঘাড় মাসেহ করতে হবে।[this is be'dah.don't do like that]
৮. এরপর ডান হাত দিয়ে পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে ডান পা টাখনু বা গোঁড়ালি পর্যন্ত ভালভাবে পরিষ্কার করতে হবে
এমনভাবে যেন আংগুলের ভিতরও কোন ময়লা না থাকে। প্রথমে ডান পায়ের কনিষ্ঠ আংগুল থেকে খিলাল করতে হবে,
বাম পা এর ক্ষেত্রে বৃদ্ধাংগুলি থেকে শুরু করতে হবে। এভাবে তিনবার।
ওযু শেষ হবার পর নিচের দু’আ পড়তে হবে-
”আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু-লা-শারীকা লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু-ওয়া রাসূলুহু।”
অর্থঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন মা’বুদ নাই।
আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বান্দাহ ও রাসূল।
প্রিয় বন্ধুরা! অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পোষ্ট। অযুর গুরুত্ব অনেক, কিন্তু আমরা অনেকেই অযুর সঠিক নিয়ম জানি না, জানতে চেষ্টাও করি না।
শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন...প্লিজ[courtesy-m.rahman, j.rahman]