Showing posts with label Jummah. Show all posts
Showing posts with label Jummah. Show all posts

Sunday, 9 October 2016

Importance of , তাইয়াতুল মসজিদের ২ রাকাত নামায

কি বলেছেন রাসূল ( সাঃ ) আর কি করছি। জুমায় এর বিধান আরো স্পষ্ট। সনদে কাবলাল জুমার হাদিস দূর্বল।কিন্তু তাইয়াতুল মসজিদ হাদিস অধিক সহি হওয়া সত্ত্বেও আমরা আমল করছি না।
এ সালাত আদায় করা ছাড়া রাসূল ( সাঃ ) কখনো মসজিদে বসতেন না। আমরা বোকার মত মসজিদে আগে গেলেও বসে গল্প করছি ।
,
,
তাইয়াতুল মসজিদের ২ রাকাত নামায
------------------------------
-----------------
# # আবু কাত্বাদা (রাঃ) বলেন, রাসুল(ছাঃ) বলেছেনঃ “যখন তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করবে তখন সে যেন না বসে, যতক্ষন দুই রাক’আত সালাত আদায় না করবে”। (বুখারী হা/১১৬৩, বুখারী হা/-৪৪৪ ও মুসলিম হা/-৭১৪)।
# # হযরত জাবির (রাঃ)বলেন, রাসূল (ছাঃ)খুৎবা দেওয়ার সময় বলেছেন,যখন তোমদের কেউ জুম‘আর দিনে আসে আর ইমাম তখন খুৎবা দিচ্ছেন,সে যেন দুই রাক‘আত নফল সালাত আদায় করে নেয় এবং সুরা কেরাআত সংক্ষেপ করে। (মুসলিম,মিশকাত হা/১৪১১)
# # উলামাগণ জুম’আর দিন এটা ওয়াজীবের সমমান বলেছেন ঃ
জাবের (রাঃ) বলেন,‘নবী জুম’আর দিনে খুৎবা দিচ্ছিলেন এমতাবস্থায় জনৈক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে। তখন রাসূল(ছাঃ) তাকে বললেন, তুমি কি সালাত আদায় করেছো? সে বলল না। তখন তিনি বললেন তুমি দাঁড়াও দুই রাক’আত সালাত আদায় কর’। (বুখারী হা/৯৩০,৯৩১)।
উক্ত ব্যক্তি ছিলেন সুলাইক গাতফানী (রাঃ)। (মুসলিম ৩/২১২, হা/১৮৬৫;)।
# # একদা হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) মসজিদ প্রবেশ
করলেন। তখন মারওয়ান খুৎবা দিচ্ছিলেন। তিনি নামায পড়তে শুরু করলে প্রহ্রীরা তাঁকে বসতে আদেশ করল। কিন্তু তিনি তাদের কথা না শুনেই নামায শেষ করলেন। নামায শেষে লোকেরা তাকে বলল, আল্লাহ আপনাকে রহ্ম করুন। এক্ষনি ওরা যে আপনার অপমান করত। উত্তরে তিনি বললেন, আমি সে নামায ছাড়ব কেন, যে নামায পড়তে নবী (সাঃ)-কে আদেশ
করতে দেখেছি। (তিরমিযী, সুনান ৫১১নং)

Friday, 30 September 2016

তাহায়াতুল মসজিদ ছালাত না পড়ার দলিল এর তাহক্বীক্বঃ

তাহায়াতুল মসজিদ ছালাত না পড়ার দলিল এর তাহক্বীক্বঃ

5175 - حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَابْنِ عُمَرَ: «أَنَّهُمَا كَانَا يَكْرَهَانِ الصَّلَاةَ وَالْكَلَامَ بَعْدَ خُرُوجِ الْإِمَامِ»
ইবনু আব্বাস (রাঃ) এবং ইবনু উমার (রাঃ) ইমাম আসার পর যেকোনধরনের কথাবার্তা এবং ছালাতকে অপছন্দ করতেন।
(মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ১/৪৪৮, ৫১৭৫)
প্রকৃতপক্ষে ইহার সনদ যঈফ। সনদের ‘হাজ্জাজ বিন আরতাত’ (الحجاج بن أرطاة) একজন দূর্বল ও মুদাল্লিস রাবী।
ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন বলেন ‘তিনি কিছুই নন, তিনি তাদলীস করতেন محمد بن عبيد الله العرزمي عن عمرو بن شعيب থেকে’ (জারাহ ওয়া তাদীল ৩/১৫৫), আহমাদ বিন হাম্বাল বলেন, ‘صدوق يدلس عن الضعفاء’ ‘সুদুক্ব, তিনি দূর্বল রাবীদের থেকে তাদলীস করতেন’ (ঐ), আবু জুরায়ত বলেন, ‘الحجاج بن أرطأة صدوق مدلس’ ‘সুদুক্ব মুদাল্লিস ছিলেন’ (ঐ)
আর এই হাজ্জাজ বিন আরতাত উক্ত হাদীছ আতা থেকে ‘আনআন’ শব্দে বর্ণনা করেছেন। মুদাল্লিসের ‘আন’ শব্দের রেওয়াত গ্রহণীয় নয়।
Allahr gulam anisul


Link with comments..

https://m.facebook.com/anisul.islam.16/posts/1102571199838570